ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বাহরাইনে নিহত বাংলাদেশি রেমিটেন্সযোদ্ধা এস এম তারেক আলীর জানাজা ও দাফন নগরীর হালিশহরের নয়াবাজারে ঈদগাঁয় সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে নয়াবাজার এলাকায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। গত ২ মার্চ ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত হন বাহরাইনে কর্মরত এস এম তারেক আলী। শুক্রবার তার মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছায়। সেখানে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। গতকাল মরদেহ চট্টগ্রামে আসে। তারেক আলীর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে। তার স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। পরিবার নিয়ে তিনি নগরীর হালিশহরে থাকতেন। বছর দেড়েক আগে ছুটিতে তিনি শেষ দেশে এসেছিলেন।
৪৮ বছর বয়সী তারেক আলী দীর্ঘ ২৭ বছর বাহরাইনে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন। দেশটির রাজধানী মানামার কাছে ‘ড্রাইডক’ নামে একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন তিনি। ২ মার্চ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারেক নিহত হওয়ার পাশাপাশি আরো দুই বাংলাদেশি আহত হন।
গতকাল দুপুরে জানাজার আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সমবেতদের উদ্দেশে বলেন, মরহুম এস এম তারেক প্রবাসী ছিলেন এবং কষ্ট করে তার পরিবার ও বৃহত্তর পরিবারকে সংস্থান করতেন। আমরা শুধু দোয়া করতে পারি তিনি যেন বেহেশত নসিব হন। কষ্ট হয়েছে, এই পরিবারকে ত্রিশটা দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের সরকার মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে।
জানাজায় অংশ নেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও দলটির আরেক নেতা শামসুজ্জামান হেলালী।














