বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড : বাংলাদেশ ও বাঙালির ওপর অভিঘাত

ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী | মঙ্গলবার , ১৫ আগস্ট, ২০২৩ at ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ

বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত জীবনীগ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’। ২০১২ সালে এই দুর্লভ গ্রন্থটি ইউপিএল প্রকাশ করে। বাঙালি জীবনের বহু অজানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানার সুযোগ হয়েছে এই গ্রন্থের মাধ্যমে। বাঙালি জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মটি সম্পাদনের কৃতিত্ব বঙ্গবন্ধুর জ্যৈষ্ঠ সন্তান জননেত্রী শেখ হাসিনার। অবশ্য শেখ হাসিনা ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ নামে জাতির পিতা রচিত আরো দু’টি গ্রন্থ প্রকাশ করেন।

কংগ্রেস রাজনীতিবিদ ও স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘India Wins Freedom। ভারতীয় জাতির পিতা মাহাত্মা গান্ধী (মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী) তাঁর জীবনীগ্রন্থের নাম দিয়েছিলেন ‘My Experiment With Truth। এটি সাপ্তাহিক ‘নবজীবন’ পত্রিকায় ১৯২৫১৯২৮ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘Jawharlal Nehru an Autobiography ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়। রাষ্ট্রনায়ক ও অমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘ The Autobiography of Abraham Linclon ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। এরকম শত শত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ রয়েছে, তবে উপর্যুক্ত পাঁচটি গ্রন্থ পৃথিবীর ইতিহাসরাজনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। এঁরা কেউ জাতির পিতা, কেউ রাজনীতিবিদ এবং কেউ রাষ্ট্রনায়ক। আব্রাহাম লিঙ্কন, মাহাত্মা গান্ধী বা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, তিনজনই নৃশংস হত্যকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু নিহত হয়েছিলেন সপরিবারে। উল্লিখিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কারো জীবনীগ্রন্থের নাম ‘অসমাপ্ত’ নয়। লক্ষ্যণীয় যে আব্রাহাম লিঙ্কন ও শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনকাল ‘৫৬’ বছর কিছু কমবেশি। বঙ্গবন্ধুর ৫৫ বছর ৫ মাস এবং আব্রাহাম লিঙ্কনের ৫৬ বছর ২ মাস।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রত্যুষে ঘাতকের বুলেটের আঘাতে সপরিবারে শাহাদাৎ বরণ করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা পারিবারিক কারণে বেলজিয়ামে অবস্থান করায় সেদিনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের হাত থেকে বেঁচে যান। দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্রে সেনাবাহিনীর এক ঘাতক দল এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। সেদিন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর ছাড়াও শেখ ফজলুল হক মণির পরিবার, সেরনিয়াবাত পরিবারেরর ১৮ জন নিহত হন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শিশু শেখ রাসেল, শিশু সুকান্ত বাবু এমনকি অন্তঃসত্ত্বা নারীও এই বর্বর হত্যাকাণ্ড থেকে রেহাই পাননি। এই হত্যাকাণ্ডে পুরো জাতি ও বিশ্ববিবেক হতবিহ্বল হয়ে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন নোবেল বিজয়ী জার্মান চ্যান্সেলর, Willy Brandt বলেছিলেন– “ Bengalis can no longer be trusted after the killing of Sheikh Mujib

১৯৪৭ সালে ভারতপাকিস্তান ভাগ হয়েছিল ধর্মীয় দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে। পূর্ববাংলার অধিকাংশ মুসলমান রাজনীতিবিদ ভারতভাগের পক্ষে ছিলেন। মধ্যখানে বৃহত্তর বাংলা গঠনের উদ্যোগও লক্ষ্য করা যায়। ১৯৪৬ সালের ‘কলকাতা দাঙ্গার’ পরে বিহার ও নোয়াখালীসহ অন্যান্য সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ফলশ্রুতিতে স্যার রেডক্লিফের সীমানা নির্ধারণে ভারত ভাগ হলো।

অচিরেই পূর্ববাংলা হয়ে উঠলো পাকিস্তানের নবউপনিবেশ। শুরু হলো পূর্ববাংলার অধিকাংশ জনগণের মাতৃভাষা বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলন, পূর্ববাংলার জনগণের উপর পশ্চিমপাকিস্তানিদের অর্থনৈতিকরাজনৈতিক শোষণশাসনের বিরুদ্ধে মুক্তিকামী বাঙালির ধারাবাহিক আন্দোলনের অপরিহার্য অর্জন স্বাধীনসার্বভৌম বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বরতম গণহত্যা সংঘটিত হলে ঐ রাতেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং একটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে আনতে আহবান জানান। ওই রাতেই পাকিস্তানি জান্তারা বঙ্গবন্ধুকে বন্দি করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত পোড়ামাটির দেশকে পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে বঙ্গবন্ধু স্বাক্ষর করেন। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। সহসা বঙ্গবন্ধু প্রশাসনিক ব্যবস্থার পুনর্গঠন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাব্যবস্থার সম্প্রসারণ, ১৯৭৩ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, নারী পুনর্বাসন সংস্থা, ব্যাংকবীমা জাতীয়করণ, জাতীয় সংসদের প্রথম সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন করা, আলজেরিয়ায় জোটনিরপেক্ষ সম্মেলন, ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন। একই বছরে সেপ্টেম্বরে ২৫ তারিখ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রথমবারের মত বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জাতীয় দল বাংলাদেশ কৃষকশ্রমিক আওয়ামী লীগ গঠন করেন।

বঙ্গবন্ধু অতি অল্প সময়ে দেশের সার্বভৌম ও স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য ভারতীয় মিত্রবাহিনীকে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হন। মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়নেও শোষণহীন সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সংবিধানে সমাজতন্ত্রকে অন্যতম মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেন। ধর্মের অপরাজনীতি থেকে ফিরিয়ে আনতে ধর্মনিরপেক্ষতাকেও সংবিধানে মূলনীতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয়’এই মূলনীতিকে পররাষ্ট্রনীতি হিসেবে গ্রহণ করেন। নতুন আশাউদ্দীপনা নিয়ে স্বাধীনতার সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার যে লক্ষ্য নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অগ্রসর হচ্ছিলেন সে আশার স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে দিলো দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্রে বিভ্রান্ত একদল সশস্ত্র বাহিনীর নির্মম বুলেট। নিজ পরিবার ও আত্মীয়স্বজন মিলে একই দিনে শহিদ হলেন ১৮ জন সদস্য। আজ সেই শোকাবহ আগস্ট। বাঙালি জীবনের অভিঘাত। অন্নদাশঙ্কর রায় বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর লিখেছিলেন– ‘কাঁদো প্রিয় দেশ, কাঁদো মুক্তিদাদা মুজিবের জন্য, তাঁর সেই পরিচায়টাই ইতিহাসে অমর হবে। কাঁদো তাঁর সহমৃতা সাধ্বী সহধর্মিণীর জন্যও। বালক পুত্রের জন্যও। ‘কাঁদো, কাঁদো, প্রিয় দেশ…’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড নিছক কোনো হত্যাকাণ্ড নয়। এর পেছনে গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে প্রায় ৩৫ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ‘১২ জনই’ মধ্যম সারির সামরিক কর্মকর্তা। সেই বর্বরতম হত্যাকাণ্ডের পেছনের কুশিলবদের বের করা এখন সময়ের দাবি। খোন্দকার মোশতাক বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়প্রশ্রয়সহ ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ ঘোষণা করেন। অন্যদিকে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের ভূমিকার বিষয়ে বিখ্যাত সাংবাদিক ও লেখক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের লেখায় উঠে আসে। মাসকারেনহাস ৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ও ৭৫’র ট্র্যাজেডি খুব কাছ থেকে অবলোকন করেছেন। কর্নেল সাফাত জামিল ও মেজর রশিদের বরাত দিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার অব্যবহিত ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন– “Shafat Jamil told zia: The President has been killed, Sir, What are your orders? Zia, he recalled, was quite and calm, evidently aware of what had happened. Zia answered: If the president is no longer there, then the Vice-President is there. Go to your headquarters and wait there.” [Anthony Mascarenhas, Bangladesh A Legacy of Blood, page-76]

এক সময়কার বিবিসি প্রধান ও ঝানু সাংবাদিক মার্ক টালী সম্প্রতি Center for Research and Information (CRI) এর ওয়েবিনারে ‘Shockwaves of Assassination: South Asia 1975শিরোনামে দেওয়া বক্তব্যে বলেছেন– “The Assassination of Bangabandhu must have had international links. [Mark Tully senses international connection behind Bangabandhu’s assassination, By Staff Correspondent 18th Aug, 2021] উপর্যুক্ত সাংবাদিকলেখকদের দাবি হলো, বঙ্গবন্ধু হত্যার মূলে যে কারণগুলো রয়েছে তা হলো অভাবনীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অসাম্প্রদায়িকতা, সমাজতান্ত্রিক মনোভাব, ৭১’র পরাজয়ের প্রতিশোধ গ্রহণ।

২য় বিশ্বযুদ্ধের পরে স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে আমেরিকা পাকিস্তানের মাধ্যমে উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির দেশ চীনের সাথে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিল। আর পাকিস্তানের বুক থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়াকে আমেরিকা ও চীন সমর্থন করেনি। আমেরিকা কখনও বাংলাদেশ স্বাধীন হোক সেটি মেনে নিতে পারেনি। এমন একটি রক্তঝরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও তৎকালীন আমেরিকান সেক্রেটারি অব স্টেটস্‌ হেনরি কিসিঞ্জার বলেন ‘বাংলাদেশ হবে একটি তলাবিহীন ঝুড়ি’।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পরই বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অর্জনগুলোকে রাষ্ট্রযন্ত্র মুছে দিতে অপচেষ্টা করা হয়। মোশতাক সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার থেকে অব্যাহতি দিতে ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ জারি করলো। জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে পঞ্চম সংশোধনী দ্বারা ৭৫৭৯ পর্যন্ত সামরিক শাসনের বৈধতা দিলেন। উপরন্তু সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযুক্ত করলেন। জেনারেল এরশাদ অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম আইন প্রণয়ন করলেন। জিয়াউর রহমান শাহ আজিজুর রহমানকে (রাজাকার) প্রধানমন্ত্রী করলেন। শুরু হলো মূলধারা থেকে বেপথু চলা। ২০০১ সালে বিএনপি জোট ক্ষমতায় আসলে ‘যুদ্ধাপরাধীদের’ মন্ত্রী বানালেন বেগম খালেদা জিয়া এবং আরো কত কিছু!

কিন্তু ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম, ৭৫’র নির্মম হত্যাকাণ্ড থেকে বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধুকন্যা ১৯৮১ সালে দেশে প্রত্যাবর্তন করে আওয়ামী লীগ ও দেশকে মহাবিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষার সংগ্রামে ব্রত হলেন। দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন। উপরন্তু পঞ্চমঅষ্টম সংশোধনী বাতিলের উদ্যোগ নেন। এমনকি মানবতাবিরোধী অপরাধে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করেন।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত পঞ্চমঅষ্টম সংশোধনী বাতিল করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সম্পন্ন হলো। দণ্ডপ্রাপ্ত অনেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। দেশের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। অনেকের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বিদেশে পলাতক থাকা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সচেষ্ট। শত বাধা পেরিয়ে দেশের অর্থনৈতিক, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ও অবকাঠামোতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হচ্ছে। ২০৩১ সালে উন্নত দেশ এবং ২০৪১ সালে হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। গত ১ আগস্ট ২০২৩ কৃষক লীগের কর্মসূচিতে শেখ হাসিনা বলেছেন– “দেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে, বঙ্গবন্ধুর রক্তঋণের শোধ করবেন।” আমরা তাঁর ওপর আস্থাশীল। বঙ্গবন্ধু কন্যা জাতিকে নিরাশ করেন না।

লেখক : সাবেক ডিন, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাবন্ধিক ও গবেষক

পূর্ববর্তী নিবন্ধবঙ্গবন্ধুর সাংস্কৃতিক চিন্তা
পরবর্তী নিবন্ধপনের আগস্ট : এক ভয়ানক স্তব্ধতার রাত্রি