ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৭ ও বগুড়া–৬ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার মধ্যে বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া–৬ আসনে ১৫০টি কেন্দ্রের সব কটিতে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতের বগুড়া শহর শাখার আমির আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ৩ শতাংশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বেসরকারি এ ফলাফল ঘোষণা করেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিপুল ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর : ঠাকুরগাঁও–১ (সদর) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ৯৫ হাজার ৪৯১ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন ৭ম পৃষ্ঠার ৫ম কলাম
বিএনপির মহাসচিব ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৮৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী তিনি মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৩টি ভোট। বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে মির্জা ফখরুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
ফজলুর রহমান : কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট। এ আসনের মোট ১৫০টি কেন্দ্রের হিসাব মতে বিজয়ী ফজলুর রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭৬ হাজার ৯০৭ ভোট বেশি পেয়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্য মতে কিশোরগঞ্জ–৪ আসনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এ আসনে নারী–পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৫২ জন। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিল আটজন।
মেজর হাফিজ উদ্দিন : ভোলা–৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত নেজামুল হক পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৬০ ভোট।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। সন্ধ্যায় গণনা শেষে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
মো. আসাদুজ্জামান : ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। সন্ধ্যায় গণনা শেষে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল জানানো হয়। ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট।
রেজা কিবরিয়া : হবিগঞ্জ–১ (নবীগঞ্জ–বাহুবল) আসনে বড় ব্যবধানে ধানের শীষের প্রার্থী অর্থনীতিবিদ রেজা কিবরিয়া বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে নবীগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. রুহুল আমীন ও বাহুবলের সহকারী রিটার্নিং অফিসার লিটন চন্দ্র দে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ৪ লাখ ৬১ হাজার ২৮৯ ভোটারের হবিগঞ্জ–১ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, রেজা কিবরিয়া নবীগঞ্জে ৭২ হাজার ৫৯৪ ও বাহুবলে ৩৮ হাজার ৪৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনীত মাওলানা সিরাজুল ইসলাম রিকশা প্রতীকে ৫৫ হাজার ২৪৫ ভোট পেয়েছেন।
ইশরাক হোসেন : সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৬ আসনের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে ইশরাক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৬৫ ভোট। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
জোনায়েদ সাকি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি দ্বিগুণ ভোটে বেরসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহসিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৫ ভোট। এই আসনের ৯৮টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোট শেষে এই তথ্য উঠে এসেছে।
নুরুল হক নুর : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–৩ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুর বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত এই প্রার্থী বৃহস্পতিবার ভোট গণনা শেষে বিজয়ী হন। বিএনপির সমর্থন নিয়ে পটুয়াখালী–৩ আসনে ট্রাক প্রতীকে জয় পেলেন নুরুল হক নূর।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পটুয়াখালী–৩ আসনের বেসরকারি ফলাফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও নুরুল হক নুরের নির্বাচনী মনিটরিং সেলের সমন্বয়ক শহিদুল ইসলাম জানান, এ আসনের মোট ৮০টি ভোটকেন্দ্র। নুরুল হক নুর ট্রাক প্রতীক নিয়ে ৭৩ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়েছেন। হাসান মামুন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৪৭ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়েছেন। নুরুল হক নুর ২৬ হাজার ৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
শামা ওবায়েদ : ফরিদপুরের রাজনীতির ঐতিহ্যবাহী আসন ফরিদপুর–২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শামা ওবায়েদ। আসনটির ১১৭টি ভোটকেন্দ্রের সবকটির প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে শামা ওবায়েদ পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত রিকশা প্রতীকের প্রার্থী শাহ আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। শামা ওবায়েদ ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
আন্দালিব রহমান পার্থ : ভোলার রাজনীতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আসন ভোলা–১ (সদর) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিজেপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯১ ভোট।
ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে এই হেভিওয়েট আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর আগে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পর পুনরায় নির্বাচিত হয়ে তিনি নিজের জনপ্রিয়তা ও পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন।
আখতার হোসেন : রংপুর–৪ আসনে (পীরগাছা–কাউনিয়া) বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৬৩টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী আখতার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল হক ভরসা ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ৮ হাজার ৩৩১ ভোট। তবে পোস্টাল ব্যালটের তথ্য পাওয়া যায়নি।
লুৎফুজ্জামান বাবর : নেত্রকোনা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান জানান, মো. লুৎফুজ্জামান বাবর ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট।
আমানউল্লাহ আমান : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–২ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আমানউল্লাহ আমান। বৃহস্পতিবার ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৯ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে ১৪২টি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯২৪ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৭২৬টি ভোট। এসব কেন্দ্রে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমানউল্লাহ আমান পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট। অন্যদিকে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫ ভোট।
রুমিন ফারহানা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল–আশুগঞ্জ–বিজয়নগর আংশিক) আসনে বহিষ্কৃত বিএনপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (হাঁস) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মোট পেয়েছেন ৭০ হাজার ৯০২। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৯৩৭ ভোট। জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মোট ভোটার ছিলো ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৫ হাজার ২৪৫ জন। আর নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ২০১ জন। আর হিজরা ভোটার ২ জন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি : লক্ষ্মীপুর–৩ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৭৯ ভোট। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন আরও চারজন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ আসনের মোট ১৩০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল ঘোষণা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা।
তাহসিনা রুশদীর লুনা : ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুমের শিকার এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা সিলেট–২ (বিশ্বনাথ–ওসমানীনগর) আসনে ব্যাপক ভোটে জয়ী হয়েছেন। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহা. মুনতাসির আলীকে প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন তিনি।
বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গুম হওয়া স্বামীর আসনে ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম করেছিল আওয়ামী লীগ। লুনার জয়ে বিএনপি সেই আসনটি পুনরুদ্ধার করল। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্ট ও কার্যালয় সূত্রে বেসরকারিভাবে এ ফলাফলের তথ্য পাওয়া গেছে।
সিলেট–২ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২৮টি। এর মধ্যে সবকটির ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৭ ভোট। পক্ষান্তরে দেয়ালঘড়ি প্রতীকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহা. মুনতাসির আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৪৬ ভোট।












