বই দেখলেই অনীহা, শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি অনিচ্ছা প্রকাশ করতে আজকাল প্রায়ই দেখা যায়। বর্তমানে এমন সময় পার করছি আমরা কম বেশি অনেকেই। যা আমাদের জন্য একটি হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। বইয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে হলে একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে হবে। পরিবার ও শিক্ষক এক্ষেত্রে মূখ্য ভূমিকা রাখতে পারে। যদি আমাদের সন্তানরা দেখে, আমরা বই পড়ছি, তারাও এটি চর্চা করবে। কেননা তারা আমাদের অনুকরণ করে। শিক্ষার্থীরা যেন আনন্দের সাথে বইকে ভালোবেসে পড়ে, সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দিতে হবে। সেই সাথে আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহ দিতে হবে। প্রযুক্তি নির্ভর এই বিশ্বে আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন পিছিয়ে না পড়ে তাই আমাদেরকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে। বই আনন্দের ও জ্ঞানের প্রতীক এই বিষয়টি তাদেরকে উপলব্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। প্রতিদিন কিছু না কিছু শেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই শিক্ষার্থীদের বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহন করার কৌতুহল তৈরি করে দিন। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে শেখার আগ্রহ বাড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা আনন্দ পায় ও নতুন কিছু জানার আগ্রহ প্রকাশ করে।এটি তাদের বই পড়ার অভ্যাস গঠনে সহায়ক হবে। শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট কাজে উৎসাহিত করতে, উপহার হিসেবে আমরা তাদের হাতে বই তুলে দিতে পারি। এটিও বই পড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। মজার ও আনন্দের ছলে তাদের শৈশব জীবন সুন্দর করতে ও আগামী দিনের জন্য তাদের প্রস্তুত করার এটাই সময়। বিখ্যাত মানুুষের ব্যাক্তিজীবন আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে শেয়ার করতে পারি। এটাও শিক্ষার্থীদের বই পড়ার আগ্রহকে বাড়িয়ে দিবে। বইয়ের গুরুত্ব আরো ভালোভাবে বোঝানোর জন্য বিশেষ দিনে তাদের শৈশবের মজার দিনগুলোকে বই নিভর্র করতে পারি। যেমন : ছড়া, কবিতা, গল্পের বই হতে তাদের সাথে আলোচনা করতে পারি। ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীরা বই নির্ভর হয়ে উঠবে ও আনন্দের সাথে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে সক্ষম হবে।












