ফুলকলির ইফতারে চাহিদার শীর্ষে হালিম, জিলাপি ও ফিরনি

আজাদী প্রতিবেদন | শুক্রবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

পবিত্র মাহে রমজানকে ঘিরে ইফতার বাজারে বৈচিত্র্যময় আয়োজন নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের পরিচিত খাদ্যপ্রতিষ্ঠান ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড। স্বাদ ও মানের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তৈরি করা বিভিন্ন ইফতার সামগ্রী ইতোমধ্যে ক্রেতাদের আগ্রহ কাড়ছে। বিশেষ করে হালিম, বিভিন্ন ধরনের জিলাপি ও ফিরনি এবারও সবচেয়ে বেশি চাহিদায় রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, রমজান উপলক্ষে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সব আউটলেটে একযোগে ইফতারি বিক্রি চলছে। প্রতিদিন বিকেলের আগেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। হালিম, স্পেশাল জিলাপি, রেশমি জিলাপি, ফিরনি এবং লাচ্ছা সেমাইয়ের বিক্রি তুলনামূলক বেশি।

ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার এম এ সবুর বলেন, রমজানকে সামনে রেখে ক্রেতাদের জন্য সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যসম্মত নানা আইটেম প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি পণ্য মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে। গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখতে স্বাদ ও গুণগত মানে কোনো আপস করা হচ্ছে না। পাশাপাশি কিছু জনপ্রিয় পণ্যে মূল্যছাড় দেওয়া হয়েছে।

ছাড়ের তালিকা অনুযায়ী, শাহী জিলাপির দাম কেজিতে ২৬০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৫০ টাকা, চিকেন শর্মা প্রতি পিস ১০০ টাকা থেকে ৯০ টাকা, কাপ ফিরনি ৪০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, ফালুদা কেজি ৪৬০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা এবং ফিরনি কেজি ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৮০ টাকা করা হয়েছে। ইফতারির নির্ধারিত মূল্যতালিকায় দেখা যায়, চিকেন হালিম প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা এবং মাটন হালিম ৮৮০ টাকা। ২০০ গ্রাম হালিমের বাটি ১৮০ টাকা। চিকেন তন্দুরি ১২০ টাকা, চিকেন সাচলিক ৬০ টাকা, চিংড়ি ফ্রাই ২৫ টাকা, চিকেন মোগলাই পরোটা ৯০ টাকা, চিকেন রোল ৫০ টাকা, চিকেন লেজামি ৪০ টাকা, শামী কাবাব ৩০ টাকা, এগ চপ ২০ টাকা এবং নারগিস কাবাব ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফিরনি কেজি ২৮০ টাকা, আধা কেজি ১৪০ টাকা এবং কাপ ৩০ টাকা। পাটিসাপটা প্রতি পিস ১৫ টাকা, ১৮০ গ্রাম লাচ্ছা সেমাইয়ের প্যাকেট ৫০ টাকা। পেশোয়ারি মালাই কাবাব ও হারিয়ালি কাবাব প্রতি পিস ৪০ টাকা এবং এগ কাবাব ২০ টাকা।

ক্রেতাদের মতে, স্বাদ ও দামের ভারসাম্যের কারণে ফুলকলির পণ্যের প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে। ক্রেতা মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ বলেন, প্রতি বছরই রমজানে পরিবারের জন্য এখানকার হালিম ও জিলাপি কেনেন তিনি। স্বাদ ভালো এবং মান স্থিতিশীল হওয়ায় একই জায়গা থেকে কেনাকাটা করেন। আরেক ক্রেতা নুসরাত জাহান জানান, অতিথি আপ্যায়ন বা পরিবারের ইফতার টেবিল সাজাতে ফুলকলির ফিরনি ও লাচ্ছা সেমাই তার প্রথম পছন্দ। সহজে পাওয়া যায় এবং মান নিয়ে চিন্তা করতে হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজানজুড়ে একই মান বজায় রেখে নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। ভবিষ্যতেও ক্রেতাদের চাহিদা বিবেচনায় নতুন নতুন স্বাদের পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএপস্টেইন নিয়ে কোনো তথ্য নেই
পরবর্তী নিবন্ধপর্দা উঠলো অমর একুশে বইমেলার