ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

| শনিবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৮:১০ পূর্বাহ্ণ

ইসরায়েল সরকারের ভূমি ক্রয় সংক্রান্ত নতুন আইনের তীব্র নিন্দা করেছে বাংলাদেশ, যে আইনের লক্ষ্য অধিকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখল করা। গতকাল শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসি নির্বাহী কমিটির সভায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, আল কুদস আল শরিফসহ ফিলিস্তিনি ভূমির আইনি ও জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যকে পাল্টে দিতে ইসরায়েল এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের ভূমির অধিকার যথাযথভাবে নিশ্চিতের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।

ফিলিস্তিনিরা মালিকানা প্রমাণ করতে না পারলে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিশাল এলাকাকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে দাবি করার একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইসরায়েল সরকার। তাদের এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং এটাকে দখলের নতুন রূপ হিসেবে অভিহিত করেছেন অনেকে। পশ্চিম তীরে ভূমি ক্রয় প্রক্রিয়াকে সহজ করা এবং ভূমি নিবন্ধনকে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি ভূমি মালিকদের বহুবিধ ভীতি ও হয়রানির মুখে ঠেলে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন খলিলুর রহমান। ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লক্সঘন এবং এটা ন্যায্য ও টেকসই সামাজিক শৃঙ্খলার ভিত্তিমূলকেও ক্ষুণ্ন করে।

১৯৬৭ সালের আগের সীমানার আলোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুই রাষ্ট্র সমাধানের কথা আবারও তুলে ধরেন তিনি, যেখানে পূর্ব জেরুজালেম হবে ফিলিস্তিনের রাজধানী। শুধুমাত্র এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিন জিইয়ে থাকা সমস্যাটির টেকসই সমাধান হতে পারে বলে মন্তব্য করেন খলিলুর রহমান। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ এবং সেখানে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তাকারীদের নিঃশর্ত ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম এবং ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম জে এইচ জাবেদ ওই সভায় যোগ দেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধদুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাত, সাগরিকায় যুবক খুন
পরবর্তী নিবন্ধভূমিকম্পে কাঁপল দেশ