তারিক আনাম খান। মঞ্চ থেকে সিনেমা, অভিনয় থেকে নির্দেশনা, বর্ণিল এক কিংবদন্তি ক্যারিয়ার। এখনও কাজ করছেন সমান তালে, পাচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, নিয়মিত গড়ছেন অভিনেতা–নেত্রী। সেই মানুষটি যখন মুখফুটে কাউকে কোনও কথা বলেন, তখন সেটার গুরুত্ব বহন করে অনেকে। টের পাচ্ছেন, চারদিকে প্রশংসায় ভেসে যাচ্ছেন অভিনেতা–নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বিশেষ করে তার প্রথম অভিনয় দেখে মুগ্ধ–বিস্মিত দর্শক–সমালোচক। তেমন প্রতিক্রিয়াই মিলছে ৩০ নভেম্বর থেকে চরকি অ্যাপে ‘সামথিং লাইক এন অটোবায়োগ্রাফি’ মুক্তির সূত্র ধরে।
এদিকে প্রভাবশালী নির্মাতার প্রথম অভিনয় প্রশংসা’র চলমান ট্রেন্ডে মোটেই গা ভাসাননি অভিনেতা খান। বরং ফারুকীর লোকাল গার্জেনের ভূমিকায় খানিকটা চোখ রাঙালেন। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ঢুকে সবার সামনে দাঁড়িয়ে সাফ বলে দিলেন, ‘অভিনেতা হয়ো না…।
কিন্তু কেন খান সাহেবের মতো জ্যেষ্ঠ অভিনেতা ফারুকীর মতো নবীন একজনকে এমন হুঁশিয়ারি দিলেন! নির্মাতা হিসেবে ফারুকী প্রমাণিত হলেও অভিনয়ের ইশকুলে তো তিনি নবজাতক। এসময় দরকার তো তারিক আনাম খানের উৎসাহ। তবুও কেন? জবাবটা ফারুকীকেই দিলেন সরাসরি, কারণ নির্মাতা হিসেবে তুমি এখন চিন্তায়, মননে, বুদ্ধিমত্তায় অনেক অনেক পরিণত।
বোঝাতে চাইলেন, অভিনয়ের পাল্লায় পড়ে ফারুকী যেন নির্মাণের সমৃদ্ধ জায়গাটা নষ্ট না করেন। কারণ, পর্দায় মুখ দেখানো এক ধরনের মোহ! সেটা তারিক আনাম খানরা বেশ বুঝতে পারেন। অভিনেতা যে শুধু ফারুকীকে হুঁশিয়ারি করলেন তা নয় কিন্তু। দিয়েছেন প্রচুর উৎসাহ, প্রকাশ করেছেন মুগ্ধতাও।
ছবিটি দেখে তারিক আনাম খান নিজের একটি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন গতকাল শনিবার বিকালে। যেখানে তিনি নির্মোহভাবেই লিখেছেন, ছবিটি দেখতে বসেছিলাম অনেকটাই নিঃস্পৃহতা আর নির্লিপ্ততা নিয়ে। কয়েকদিন ধরে আলোচনা, গল্পের শিরোনাম– এসব দেখেই মনে হচ্ছিল ওদের প্রেম কাহিনিটা দেখি।












