ফলাফল প্রকাশের সময় নিয়ে যা বললেন ইসি সানাউল্লাহ

| বুধবার , ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৫:৫৩ পূর্বাহ্ণ

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় ভালো রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘এই পর্যন্ত যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আছে, তাতে নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট। যে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটেছে, এগুলো না ঘটলে আরও ভালো হত। অতীতে যেকোনো সময়ের চেয়ে আমরা ভালো অবস্থায় আছি।’ খবর বিডিনিউজের।

তিনি বলেন, ‘মাহেন্দ্রক্ষণ সমাগত। ভোটের দিন নির্বাচনের অগ্রগতি প্রতিবেদন আগের মতোই দুই ঘন্টা পর পর দেওয়া হবে। প্রথমটা আড়াই ঘণ্টা হবে। শেষেরটা আড়াই ঘন্টা হবে। নয় ঘণ্টা ভোট চলায় মোট চার বারে ভোট পড়ার হার জানানো হবে। আমরা এটা দিতে পারবো। কেন্দ্র থেকে ভোটের ফলাফল জানানো হবে, এরপর রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ও পরে নির্বাচন কমিশনে ফলাফল দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘পাবলিকেশন অফ রেজাল্ট, কেন্দ্র থেকে একটা রেজাল্ট পাবলিশ হয়েই যাবে। ওখানে স্বাক্ষর হওয়ার পরে। আর অফিশিয়াল ইলেকশন কমিশনের যে প্রসেসটা আছে অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার স্বাক্ষর করার পরে সেটা রিটার্নিং অফিসার হয়ে যখন নির্বাচন কমিশনে আসবে তখন আমাদের ইসির ঘোষণা মঞ্চ করা হয়েছে, সেখান থেকে আপনারা এটা জানতে পারবেন।’

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘সংসদ ও গণভোটের ফলাফল একসাথে দেওয়া হবে। কেন্দ্রেও ভোট গণনা একসাথে হবে, ফলাফলও একসাথে। তা না হলে দেখা যাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পাওয়ার পরে এজেন্টরা দৌড় মেরে চলে গেছেন, আর কেউ থাকবে না। আবার যদি আপনি গণভোটের ফলাফল আগে ঘোষণা করেন, অস্থিরতা তৈরি হবে বাইরে। আমরা দুটোর কোনটাই করতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘১৩ ফেব্রুয়ারি হবে কম্পাইলেশন। ফলাফল ঘোষণা এক জিনিস আর কম্পাইলেশন এক জিনিস। কম্পাইলেশন মানে হচ্ছে, সকল কেন্দ্র থেকে যে ফলাফলগুলো এসেছিল খণ্ড খণ্ড সারারাত যতক্ষণ সময় লাগুক না কেন, সেটা যে এসেছে, আমাদের অভিজ্ঞতা কি বলেবেশিরভাগ ফলাফলই হয়তো দেখা যাবে মাঝরাতের মধ্যে পেয়ে গেছি। আমরা দূরবর্তী কিছু কেন্দ্র ছাড়া যেগুলো আসতে হয়ত একটু সময় লাগে, পরের দিন সকালবেলায়। এই প্রত্যেকটা কেন্দ্রে যেটা বেসরকারি ফলাফল আগে ঘোষণা করা হয়েছে, এটা ফর্ম১৮ লিপিবদ্ধ করে প্রার্থী বা তার এজেন্টের উপস্থিতিতে রিটার্নিং অফিসার স্বাক্ষর করবেন। সেটার ওপর ভিত্তি করে কিন্তু পরবর্তীতে গ্যাজেট পাবলিশ হবে।’

নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, যেসব কেন্দ্রে সশরীর ভোট হবে তার আনুমানিক ৫০ শতাংশ সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি ৫০ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধভোটের ফল যাই হোক, জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিন
পরবর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামসহ সবখানে ছড়িয়ে পড়ে ভাষা আন্দোলনের ঢেউ