ফটিকছড়িতে কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে গতিশীল করতে ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৬ কিলোমিটার খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খালের এসব কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাংসদ সরোয়ার আলমগীর।
প্রকল্পের আওতায় ফটিকছড়ি খাল (নানুপুর ইউনিয়ন) ২ কিলোমিটার, মরাগজারিয়া ও তারাখো খাল (দাঁতমারা ইউনিয়ন) ৪ কিলোমিটার এবং বারোমাসিয়া খাল (ভুজপুর ইউনিয়ন) ২ কিলোমিটার পুনর্খনন করা হবে। এছাড়া দাঁতমারা ইউনিয়নের সোনারখীল সড়কে দুটি বক্স কালভার্ট উদ্বোধন করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা।
উদ্বোধনকালে সরোয়ার আলমগীর বলেন, কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় খালের ভূমিকা অপরিসীম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল গ্রামীণ অর্থনীতি পরিবর্তনের হাতিয়ার। ফটিকছড়ির প্রতিটি আবাদি জমিকে চাষের আওতায় আনা এবং জলাবদ্ধতা দূর করাই আমাদের লক্ষ্য। এই খাল খননের মাধ্যমে এলাকার সেচ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এসব খাল ভরাট হয়ে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছিল। পুনর্খনন শুরু হওয়ায় এলাকায় হাজার হাজার কৃষকের সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং শুষ্ক মৌসুমেও চাষাবাদ সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব নাজিম উদ্দীন শাহীন, ভুজপুর থানার (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে, বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, সহকারী প্রকৌশলী তমাল দাস, ভুজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান চৌধুরী প্রমুখ।












