প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে ইংরেজি বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত মঙ্গলবার ‘রেস্টোরেশন ও ১৮ শতকের সাহিত্য’ শীর্ষক একটি প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল পোস্টার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ্যক্রমের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে সৃজনশীলভাবে উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইফতেখার মনির এবং ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সৈয়দ জসীম উদ্দীন। উপাচার্য কেক কেটে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
প্রদর্শনীতে তিনটি সেকশনের মোট ১৫০ জন শিক্ষার্থী ৪০টি দলে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীরা তাদের পোস্টার ও প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮ শতকের ইংল্যান্ডের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট এবং তৎকালীন ধ্রুপদী সাহিত্যকর্মগুলো নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলেন। প্রদর্শনীর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে ছিল জন ড্রাইডেনের ‘ম্যাক ফ্লেকনো’, আলেকজান্ডার পোপের ‘দ্য রেপ অব দ্য লক’ এবং উইলিয়াম কনগ্রিভের ‘দ্য ওয়ে অব দ্য ওয়ার্ল্ড’। শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ব্যঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ারের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের অসারতা, ভণ্ডামি ও নৈতিক ত্রুটিগুলো যেভাবে মক–এপিক এবং কমেডি অফ ম্যানার্স–এ চিত্রায়িত হয়েছিল, তা বিশ্লেষণ করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির শিক্ষার্থীদের এই সৃজনশীল প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের প্রদর্শনী শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার একটি শক্তিশালী ও বাস্তবমুখী বহিঃপ্রকাশ। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত সম্ভাবনা বিকাশে এ ধরনের শিক্ষার্থী–কেন্দ্রিক কার্যক্রম অপরিহার্য। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগকে এমন উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। কোর্স শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের প্রতি গর্ব প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের একাডেমিক ও সৃজনশীল কাজের মেলবন্ধন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। অনুষ্ঠানে ইংরেজি বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক–শিক্ষিকাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












