পটিয়া শশাংকামালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ওই স্কুলের সহকারী ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষিকা উম্মে হাবিবা চৌধুরীকে কু প্রস্তাবের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে গতকাল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বেশর সিংহের আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। প্রধান শিক্ষক হারুন উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিণখাইন গ্রামের আবদুল হকের পুত্র।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা উম্মে হাবিবা চৌধুরীকে বিভিন্ন সময় কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। নিরুপায় হয়ে তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করেন। এরপর গত বছরের ২২ আগস্ট পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন (নং ১০৮৬)। এরপর থেকে ওই শিক্ষিকাকে মামলায় জড়ানো ও নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে স্কুল পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ গত ৩ সেপ্টেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে প্রধান শিক্ষককে অন্যত্র বদলির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এর জের ধরে ২৮ ডিসেম্বর ওই শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করলে প্রধান শিক্ষক তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও প্রকাশ্যে হুমকি দেয়ার অভিযোগ করা হয়। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পটিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা উম্মে হাবিবা চৌধুরী বলেন, প্রধান শিক্ষক হারুন দীর্ঘদিন ধরে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। আমি তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত সহায়তা কামনা করছি।
এ বিষয়ে কথা বলতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাদীর আাইনজীবী অ্যাডভোকেট নুর মিয়া জানান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।











