মিয়ানমারের জান্তা জানিয়েছে, তিন ধাপের জাতীয় নির্বাচনের প্রথম পর্বে মোট ভোটারদের অর্ধেকের বেশি তাদের ভোট প্রয়োগ করেছে। দেশটিতে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এটি প্রথম নির্বাচন। চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলদের নেতৃত্বে গঠিত সামরিক বাহিনীপন্থি ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টিই আবার ক্ষমতায় আসবে। জাতিসংঘ, কিছু পশ্চিমা দেশ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে, নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হয়নি। কারণ এতে জান্তাবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি আর নির্বাচনের সমালোচনাকে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
রয়টার্স জানায়, জান্তার মুখপাত্র জাও মিন তুন রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমকে বলেছেন, নথিভু্ক্ত ভোটারদের মধ্যে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ বা ৫২ দশমিক ১৩ শতাংশ ১০২টি শহরজুড়ে রোববারের নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, এমনকি উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতেও এমন পরিস্থিতি আছে, যেখানে ভোট দেওয়ার হার ৫০ শতাংশের উপরে উঠে না। এই ভোটার উপস্থিতি গর্বিত হওয়ার মতো।
এর আগে ২০২০ ও ২০১৫ সালে মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি প্রায় ৭০ শতাংশের মতো ছিল বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকট্রোরাল সিস্টেমস। এর পরের পর্বে ১১ জানুয়ারি ও ২৫ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ করা হবে। ওই সময় মিয়ানমারের ৩৩০টি শহরের মধ্যে ২৬৫টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।











