তোমাকে প্রথম লেখা প্রেমপত্র, মনে পড়ে?
পাঠিয়ে বসেই আছি সেই কবে কুরিয়ারে,
কোমল উত্তর পাবো ভেবে–
মেলেনি জবাব। তবে
বহুদিন পরে জানি –
চিঠি তো পৌঁছেনি!
তারপর, দুজনের দেখা হলো
বহুদূর ঘোরাঘুরি গায়ে মেখে ধুলো
পাহাড়ের চূড়া থেকে
একসাথে সমুদ্দুর তীরে বালু মেখে
ঘুরতে ঘুরতে
কুরিয়ার সার্ভিসের প্রধান শাখাতে
অবশেষে উদ্ধার চিঠির।
ভীষণ অস্থির
তুমি সাথে সাথেই পড়তে চাও চিঠি–
আমি লাল হয়ে উঠি,
কানের ভেতর থেকে
গরম ধোঁয়ার মতো উষ্ণতা বেরোতে থাকে
আমি মানা করলাম বলে
তুমি থেমে গেলে।
কথাই হলো না আর এই পরিবেশে
তুমি চুপচাপ বসে থাকো পাশে
তোমার আঙুল নিয়ে দড়ি প্যাঁচালাম
তোমার তালুতে জমে বিন্দু বিন্দু ঘাম
ঘাড় নিচু করে রিঙা থেকে নেমে গেলে ঘর,
তারপর
তারপর, শীতের বিকেল বেলা
আমার ঘামার পালা
অস্থির সময় যেন কিছুতেই কাটতে চাহে না।
ঘন ঘন চাই ফোনে কোন রিং বাজে কি না
যখন বাজলো রিং
ক্রিং ক্রিং
ঘাম দিয়ে ছেড়ে গেল জ্বর
আবেগ ঝাঁপিয়ে পড়ে আবেগের ’পর।







