রাউজানের কদলপুরে প্রতিবেশীর কিল–ঘুষিতে মুহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া (৬৮) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। টয়লেটের পাইপ লাইন নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে কিল–ঘুষিতে আহত হয়ে ইদ্রিস মিয়া পড়ে যায়।
তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্বজনরা। পরে অবস্থা গুরুতর হলে তাকে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ইদ্রিস উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আলম বাড়ির বেলায়েত আলীর ছেলে। তিনি ৪ ছেলে ৩ মেয়ে সন্তানদের জনক। এ ঘটনার পর আজিজুল হক নামে একজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইফতারের আগমুহূর্তে টয়লেটের পাইপ লাইন বসানোর কারণে ইদ্রিসের সাথে আজিজুলের বাক–বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে বৃদ্ধ ইদ্রিসকে কিল–ঘুষি মারে আজিজুল। এতে ইদ্রিস মাটিতে পড়ে যায়। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উত্তেজিত জনতা আজিজুল হককে ধরে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত আজিজুল হক একই এলাকার নুরুল হকের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তারা আমার কাছে এসেছিল। আমি পরিষদে লিখিত অভিযোগ দেওয়া কথা বলেছিলাম। আজ বাক–বিতণ্ডার এক পর্যায়ে বৃদ্ধকে কিল–ঘুষি মারলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
নিহতের ছেলে মো. জালাল বলেন, টয়লেটের পাইপ সঞ্চালন লাইনের কাজ করার সময় বাবার সাথে প্রতিবেশি আজিজুল হকের কথা কাটাকাটি হয়। পরে বাবাকে কিল–ঘুষি মারলে তিনি গুরুতর আহত হয়। হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
রাউজান থানার ওসি তদন্ত সিদ্দিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। অভিযুক্তকে স্থানীয় জনতা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।












