প্রচারণা আর মাত্র ৫ দিন, ভোটের বাকি ৭ দিন

প্রার্থী এবং ভোটারদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়ে আসছে সর্বত্র চলছে ভোটের হিসেব-নিকেষ সর্বাত্মক প্রস্তুতি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:৪১ পূর্বাহ্ণ

প্রার্থী এবং ভোটারদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়ে আসছে। সর্বত্র চলছে ভোটের হিসেবনিকেষ। প্রার্থীদের হাতে প্রচারণার সময় আছে আর মাত্র ৫দিন, ভোটের বাকি আছে আর মাত্র ৭দিন। প্রার্থী এবং তাদের কর্মীসমর্থকদের উৎসবমুখর প্রচারপ্রচারণা শেষ হয়ে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চট্টগ্রামের ভোটের মাঠে বিএনপিজামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এনসিপি, এলডিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এদিকে ভোট উৎসবমুখর করতে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সকাল থেকে দিনব্যাপী প্রার্থী এবং তাদের পরিবারের সদস্যসহ কর্মীসমর্থকদের সরব পদচারণায় চট্টগ্রামের নির্বাচনী মাঠ এখন উৎসবমুখর। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে ১,৯৬৫টি ভোটকেন্দ্র এবং ১২০০১টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণের জন্য ৪০ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে (প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হচ্ছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শেষ হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিটি সংসদীয় এলাকায় পৌঁছে গেছে ব্যালট পেপার ছাড়া সকল নির্বাচনী সামগ্রী। নগরীর পাশাপাশি জেলার সর্বত্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে জেলার ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে নগরীর ৫টি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব আছেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। জেলার ১০টি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। নগরীর বন্দরপতেঙ্গা (চট্টগ্রাম১১) আসনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে আছেন চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী। নির্বাচনের প্রস্তুতির ব্যাপারে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। ভোটগ্রহণের জন্য প্রায় ৪০ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হচ্ছে। আসন ভিত্তিক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের (প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার) প্রশিক্ষণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ব্যালট পেপার ছাড়া অন্যান্য সকল নির্বাচন সামগ্রী পৌঁছে গেছে। ব্যালটবঙ সংশ্লিষ্ট উপজেলা গুলোতে আগে থেকেই মজুত রয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চট্টগ্রামের ব্যালট পেপার নির্বাচন কমিশন থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে।

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭জন এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০জন। এবার তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭০জন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপবিত্র শবে বরাত পালিত
পরবর্তী নিবন্ধবন্দরের অচলাবস্থা নিরসনে বিজিএমইএর জরুরি বৈঠক