দৈনিক আজাদীর প্রথম পৃষ্ঠায় গত ৯ নভেম্বর ‘সিডিএ ভবন, গণপূর্ত সচিবের ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দিয়ে খবরদারি, মারধরের শিকার যুবক’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ৯৯, হেমসেন লেইনের বাসিন্দা মো. সোলায়মানের পুত্র মোহাম্মদ ইমরান হাসান। প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, গত চার বছর ধরে সিডিএর কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন সিডিএ কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে। দুদক আমার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। বিষয়টি নিয়ে সিডিএর কয়েকজন কর্মকর্তা–কর্মচারী আমার ওপর ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
মোহাম্মদ ইমরান হাসান অভিযোগ করেন, আমার ফাইলটি আটকে রাখার বিষয়ে গত দুই মাসে একাধিকবার সিডিএ কার্যালয়ে গিয়ে কথা বলি। কিন্তু তারা কোনো সদুত্তর না দেওয়ায় গণপূর্ত সচিব বরাবরে লিখিত অভিযোগ করি। গণপূর্ত সচিব আমার অভিযোগের ব্যাপারে সিডিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেন এবং ফাইলের অগ্রগতি আমাকে জানাতে বলেন। আমার ফাইলের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে গত ৮ নভেম্বর সিডিএ কার্যালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে বের হওয়ার পর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কয়েকজন কর্মচারী অতর্কিতে হামলা চালিয়ে আমাকে গুরুতর আহত করে। পরে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। তার ফাইল আটকে রাখাসহ সার্বিক বিষয়টি দুদক তদন্ত করছে বলে দাবি করেন তিনি।












