জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, লগি–বৈঠা তাণ্ডবের পৈশাচিকতা করে ১/১১ সরকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ডিজিটাল কারচুপির নির্বাচনে হাসিনা ক্ষমতায় বসেছিল। সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার নীলনকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে তারা। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে হত্যা করে মূলত দেশের স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্রই পাকাপোক্ত করা হয়েছিল সেদিন। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে হবে এবং দোষীদের শাস্তি দিন।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুনাজাত পরিচালনা করেন জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. একেএম ফজলুল হক, ডা. ছিদ্দিকুর রহমান, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোছাইন, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, অধ্যক্ষ মাওলানা জাকের হোসাইন, ফখরে জাহান সিরাজী, ফারুকে আজম, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুন্নবী, মুহাম্মদ ইসমাইল, ড. আ ম ম মাসরুর হোসাইন প্রমুখ।












