বান্দরবানে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে রাতের আঁধারে ভরাট করা হচ্ছে পুকুর। পরিবেশ আইন লংঘন করে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় স্থানীয় মনির চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে শত বছরের পুরনো পুকুরটি ভরাট করে দোকানঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের কাজ চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বান্দরবান পৌরসভার তিন নং ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা এলাকায় শত বছরের পুরনো পুকুরটি পাহাড় কাটা মাটি দিয়ে ভরাটের কাজ চলছে। পুকুরটির পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিকে একাধিক স্থানে টিন ও পলিথিনের ঘেরাও দিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাঁশ ও কাঠের খুঁটি দিয়ে কয়েকটি দোকানঘরও তৈরি করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসাইন ও রমিজ উদ্দিনসহ অনেকে বলেন, পুকুরটি একসময় বালাঘাটা ও রোয়াংছড়ি স্টেশনগামী মানুষের হাত-মুখ ধোয়া বা গোসলের পানির উৎসস্থল ছিল। কিন্তু দখলদারদের কারণে চারপাশ ছোট হয়ে গেছে। কচুরিপানা ও আবর্জনায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পুকুরটি দখলমুক্ত করে সংস্কারের দাবি জানান তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মনির চৌধুরী বলেন, আমি কোনো ধরনের পাহাড় কাটছি না। পুকুর ভরাটের কাজও করছি না। পুকুরের জায়গাটি আমাদের। দোকানঘর ভেঙে যাওয়ায় মাটি ফেলে দোকানটি ঠিক করা হচ্ছে।
এদিকে সরকারি জায়গা দখল করে পুকুর ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুচ সালাম বলেন, জলাশয় বা পুকুর ভরাট করা পরিবেশ আইন বিরোধী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সেগুনবাগিচা এলাকায় পাহাড় কাটা মাটি ফেলে পুকুর ভরাটের খবর পেয়েছি। রোববার (আজ) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।














