পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে পুল গঠনের নির্দেশ

বেসরকারি স্কুলে শিক্ষক সংকট

| সোমবার , ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ at ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ

সারাদেশে বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকটের মুখে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের দ্বারস্থ হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য উপজেলার পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুল গঠন করে তাদের প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের ব্যয়ে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ড, সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) এ নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। গতকাল রোববার নির্দেশনাটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক স্বল্পতা এবং বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষএনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে দেরির কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বিঘ্নিত হওয়ায় এ নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেখানে। সেজন্য উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল’ গঠনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে ডিসি ও ইউএনওদের। ইউএনওর পরামর্শে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি, গভর্নিং বডি বা অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন নিয়ে ‘সাময়িকভাবে’ ওই পুল থেকে শিক্ষক নিয়োগ করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মানী প্রদানে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বলা হয়েছে নির্দেশনায়। খবর বিডিনিউজের। দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজগুলোতে ৬০ হাজার ২৯৫টি শিক্ষক পদ শূন্য থাকার কথা গত ৮ এপ্রিল সংসদে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ৩৪ হাজার ১২৯টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ কর্মচারী কর্মরত আছেন। গত ২৮ জানুয়ারি এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে নিবন্ধিত প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। তখন ওই সব প্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার ২০৮টি শিক্ষকপ্রভাষক পদের বিপরীতে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছিলেন ১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী। তাতেও বেসরকারি স্কুলকলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়ে গিয়েছিল।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেন এলডিপি নেতা
পরবর্তী নিবন্ধনগরে দেড় কিলোমিটার জুড়ে আলপনা আঁকছে জেলা প্রশাসন