সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী পোস্ট দেওয়ার দায়ে এক মানবাধিকার কর্মী ও তার স্বামীকে ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের এক আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত ইমান মাজারি ও তার স্বামী হাদি আলি চাত্তা দুজনই আইনজীবী। খবর বিডিনিউজের।
তারা বলছেন, জাতীয়তাবাদী কর্মীদের গুম হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাদেরকে আইনি নিপীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। এসবের জন্য সেনাবাহিনীকেও দায় দিয়েছিলেন তারা, তবে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। কৌঁসুলির তাদের অভিযোগ প্রমাণ করেছেন, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা আদালতের রায়ে এমনটাই বলা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর কট্টর সমালোচক মাজারি ও তার স্বামী হাদি দু্জনকেই তিনটি অভিযোগে যথাক্রমে ৫ বছর, ১০ বছর ও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এ দণ্ড তারা একসঙ্গে ভোগ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ১০ বছর পরই তাদের মুক্তি মেলার কথা। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৩ কোটি ৬০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করে জরিমানাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডন।
রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কিনা, সেই সুযোগ থাকলে দণ্ডপ্রাপ্তরা তা নেবেন কিনা, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। মানবাধিকার কর্মীরা মামলা নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছেন। ২৪ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে নাগরিক অধিকার, বাক স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ভিন্নমত দেখানোর পথ সঙ্কুচিত হওয়ায় উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন তারা।












