পাকা সেতু নির্মাণ হলেই ঘুচবে দুই উপজেলার হাজারো কৃষকের দুর্ভোগ

পটিয়া-বোয়ালখালী সীমান্তে জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো

শফিউল আজম, পটিয়া | সোমবার , ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৬:২২ পূর্বাহ্ণ

পটিয়াবোয়ালখালীর সীমান্তঘেষা হারগাজী খালের উপর দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ বাঁশের সেতুতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দুই উপজেলার হাজারো কৃষক ও সাধারণ মানুষ। একটি পাকা সেতু নির্মাণ হলেই ঘুচবে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও দুর্দশা। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে হারগাজী খালের উপর পাকা ব্রিজ ও সড়ক না থাকায় দুই উপজেলার হাজার হাজার জনসাধারণ ও স্থানীয় কৃষকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। দুই উপজেলার হাজারো মানুষের একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে নড়বড়ে এ বাঁশের সাঁকো! একটি পাকা সেতু নির্মাণ করলে চাষাবাদে ব্যাপক গতি আসবে বলে মনে করেন দুই উপজেলার কৃষক। স্থানীয় কৃষক আবু জাহেদ জানান, একটি ব্রিজের অভাবে দুই উপজেলার স্থানীয় কৃষকদের ধান কাটার মৌসুমে বাড়তি শ্রমিক ও বাড়তি ব্যয়ে ধান কেটে ঘরে তুলতে হয়। যার ফলে দুই উপজেলার কৃষকরাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এখানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ খুবই জরুরি। জানা যায়, এক সপ্তাহ পূর্বে বিএডিসি সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পটিয়াবোয়ালখালী সীমান্তে হারগাজী খালের উপর কৃষকদের পারাপারের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু পরিদর্শনে যান পটিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমান। এ সময় তিনি বোরো সেচ প্রকল্পের আওতায় বরিড পাইপ স্থাপন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন, পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, এ সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে বোরো মৌসুমে অনাবাদী ২০০ একর জমি চাষের আওতায় আসবে, এছাড়াও পটিয়াবোয়ালখালী সীমান্তের কৃষকদের পারাপার ও কৃষিজ পণ্য আনা নেওয়ার সুবিধার্থে হারগাজী খালের উপর সেতু নির্মাণ অতি জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমানে জরাজীর্ণ কাঠের সেতু দিয়ে কৃষকদের পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ বিলে চাষাবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু অপসারণ করে বিএডিসি কর্তৃক সেতু নির্মাণের দাবি তুলে ধরেন কৃষি কর্মকর্তা বরাবর।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসমাজ ও মানুষ গঠনে স্বামী বিবেকানন্দের দর্শন
পরবর্তী নিবন্ধদূরের দুরবিনে