চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ক্রীড়া সমিতি। প্রথম ম্যাচে টাই করে পরের দুটি ম্যাচেই হেরে গিয়েছিল তারা। চতুর্থ রাউন্ডের খেলায় বন্দর ৩৭ রানে হারায় পাইরেট্্স অব চিটাগাংকে। এতেই প্রথম জয় করায়ত্ব করে নেয় বন্দর। পাইরেট্্স একটি খেলায় জয় পেলেও তিনটি খেলায় পরাস্ত হয়েছে। এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত খেলায় টসে জিতে পাইরেট্্স প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় বন্দরকে। তারা দ্রুত প্রথম উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে নাজিমউদ্দিন সাব্বির এবং মো. মামুন ধরে খেলার চেষ্টা করেন। মামুন তৃতীয় উইকেটে আবদুল কাদের রাসেলের সাথে জুটি বেঁধে রান সংখ্যা ১০৭ রানে নিয়ে যান। দুজনই অর্ধশতক পান। প্রথমে মামুন ৬১ রান করে আউট হন। ৬৯ বল খেলে ৭টি চার এবং ১টি ছক্কা হাঁকান তিনি। রাসেল এবং তারেক কামাল জুটি গড়ে রান সংখ্যা দেড়শোতে নিয়ে যান। দলীয় ১৫২ রানে রাসেল ব্যক্তিগত ৫০ রান করে আউট হয়ে যান। তারেক কামাল পরবর্তীতে ছোট ছোট জুটিতে রান সংখ্যা দুইশোতে উপনীত করেন। নিজস্ব ৫১ রানে তিনি যথন আউটন হন দলীয় রানসংখ্যা তখন ২১৫। ৩টি চার এবং ৩টি ছক্কা মারেন তারেক। অন্যদের মধ্যে এনামুল হক ১৬,মইন খান ১৫ এবং সাব্বির হোসেন ১১ রান করেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ১১ রান। ৪৯.২ ওভার খেলে সব উইকেট হারিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২৩৮ রান সংগ্রহ করে। পাইরেট্সের সাজিদ আবদুল্লাহ ৪৯ রানে এবং টিপু সুলতান ৫৬ রানে ৪টি করে উইকেট দখল করেন। ১টি করে উইকেট পান নাহিদুল ইসলাম এবং মো. রুবেল।
২৩৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাইরেট্্স ৪৯ ওভার খেলে সব উইকেট হারায়। ২০১ রানে অলআউট হয়ে যায় পাইরেট্্স। পাইরেট্সের টপ অর্ডার ব্যাটাররা প্রথম দিকে কিছুটা আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত বাকিদের ব্যর্থতায় লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি তারা। দুই ওপেনার আরমান উল্লাহ ৩৫ এবং সাদমান ইসলাম ৪৪ রান করে আরিফ আহমেদের বলে আউট হয়ে যান। আবদুল্লাহ আরিফ ২৯ এবং অধিনায়ক নাইম ইসলাম ৩৭ রান করেন। অন্যদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান ১৩, মো. রুবেল ১১ রান করেন। অতিরিক্ত রান হয় ১০। বন্দরের স্পিনার আরিফ আহমেদ ৩২ রান দিয়ে একাই শিকার করেন ৫টি উইকেট। এছাড়া ১টি করে উইকেট দখল করেন এনামুল হক,মইন খান এবং নাহাদুজ্জামান। প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে আজকের খেলায় অংশ নেবে ফ্রেন্ডস ক্লাব এবং শহীদ শাহজাহান সংঘ।












