দেশের পর্যটন এলাকাগুলোতে বিদেশিদের জন্য ‘ডেডিকেটেড ক্যাসিনোসহ’ তাদের বিনোদন উপযোগী সব ধরনের সুযোগ সুবিধা রেখে স্থাপনা নির্মাণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। গতকাল সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। এসময় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এলাকায় ৫ হাজার পর্যটকের অবস্থানের উপযোগী স্থাপনা ছয় মাসের মধ্যে তৈরি করার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
বৈঠকের পর কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য আমরা একটি এক্সক্লুসিভ জায়গা নির্ধারণ করে বিদেশিদের জন্য সকল সুযোগ সুবিধা রাখার ব্যবস্থা করতে বলেছি। তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। আমাদের এখানে অনেক বিদেশি ক্রেতা আসেন। কিন্তু বিদেশিদের জন্য আমাদের এখানে বিনোদনের কোন ব্যবস্থা নেই।
সমস্ত মুসলিম দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে তারা বিদেশি পর্যটকদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রেখেছে। আমরাও চাই আমাদের দেশে বিদেশি পর্যটক আসুক। তারা তাদের মত করে ওই নির্ধারিত এলাকায় ঢুকবে। সেখানে বাংলাদেশের কোনো লোক যেতে পারবে না। সারা বিশ্বে যে ধরনের সুযোগ দেওয়া হয় তাদের জন্য সেই সব সুযোগ সেখানে থাকবে। এতে করে বাংলাদেশকে মানুষ চিনতে পারবে।
এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ডেডিকেটেড ক্যাসিনোসহ তাদের বিনোদন উপযোগী ব্যবস্থা রেখে স্থাপনা নির্মানের জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২৩ হাজার। এই সময় অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা ছিল এক কোটি। ২০৪০ সাল নাগাদ পাঁচ লাখ আবাসন সুবিধার সুযোগ তৈরি, ১০ মিলিয়ন বিদেশি পর্যটক আগমন এবং আট বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়কে সামনে রেখে ট্যুরিজম বোর্ড একটি মহাপরিকল্পনা তৈরি করছে।














