পরীক্ষার খাতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হোক

| বুধবার , ১১ মার্চ, ২০২৬ at ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতিবাচক দিক হলো যথাযথ খাতা মূল্যায়ন না করে ফলাফল প্রকাশ করা এবং যেই বিষয়ে শিক্ষার্থীরা ভালো লিখে ওই বিষয়ে যথাযথ নাম্বার না দেওয়া। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ২৩ তারিখ অনার্স ১ম বর্ষ (২০২৩২৪) সেশনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলাফল ছিলো অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কাছে অসন্তোষজনক। নিজেদের উপর আস্থা রেখে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পেয়ে, বোর্ড চ্যালেঞ্জ করতে বাধ্য হয় শিক্ষার্থীরা। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখ বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলাফলের মধ্যে সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো ৮০% শিক্ষার্থীর রেজাল্টের বড় ধরনের গ্রেড পরিবর্তন।

এইরকমটা প্রায় সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করা হয়। প্রথমবার যেই খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছিলো, বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার পরও তো একই খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবুও নাম্বারের মধ্যে এতো পার্থক্য তৈরি হয় কেন? যথাযথ খাতা মূল্যায়ন না করে ফলাফল প্রকাশ করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জীবনে মানসিক ও আর্থিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্তি দেওয়া হোক।

প্রথমবার ফলাফল প্রকাশের পূর্বে যথাযথভাবে গুরুত্বসহকারে খাতাগুলো মূল্যায়ন করা হোক। যাতে করে কাউকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে না হয় এবং বোর্ড চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি হতে না হয়।

রেশমী আকতার,

চট্টগ্রাম কলেজ, বাংলা বিভাগ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআলেকজান্ডার ফ্লেমিং: বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী
পরবর্তী নিবন্ধমনে পড়ে মায়ের স্নেহমাখা মুখ