মানুষের যাপিত জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পারিবারিক শিক্ষা, যার সূচনা হয় পরিবার থেকেই। ছোটবেলায় হাত–পা নাড়া থেকে শুরু করে কথা বলা সবকিছুই মানুষ পরিবারে থেকেই শেখে। শিশুরা অনুকরণপ্রিয়; ফলে তারা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের আচরণ, কথাবার্তা ও অভ্যাস অনুসরণ করে। এ কারণেই পরিবারের মানুষদের শিশুদের সামনে কথাবার্তা ও আচরণে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা জরুরি।
সভ্যতা, ভদ্রতা, নৈতিকতা, কৃতজ্ঞতাবোধ, অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্নেহ, পরোপকারিতা এবং উদার মানসিকতা এসব গুণ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শেখানো যায় না। একাডেমিক শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ শিক্ষিত হতে পারে, মেধার জোরে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে দেশ–বিদেশে সুনাম কুড়াতে পারে; কিন্তু পরিবার থেকে সুশিক্ষা না পেলে একসময় সেই সব অর্জনই ম্লান হয়ে যায় এটাই চিরন্তন সত্য।
এই কারণেই পরিবারকে বলা হয় জ্ঞানচর্চার সূতিকাগার। একটি আদর্শ ও মানবিক মানুষ গড়ে ওঠার পেছনে পারিবারিক শিক্ষাই সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।











