মাঝে মাঝে তুমি
জোছনা হয়ে আসো
আমার ঘরে,
রুপোলি আলোর বন্যায়
ছুঁয়ে যাও আমাকে
স্নিগ্ধ সবুজাভ নীল চাদরে।
পূর্ণিমার পুণ্যতায় ঢেকে
দখল করো
গভীর শূন্যতার মায়াজালে,
সকল আঁধার ছিন্ন করে
গ্রাস করো আমায়
আলোকবন্যা হয়ে।
ঝিঁঝিঁ ডাকা সম্মোহনী এক
নেশাগ্রস্ত বাদ্যের তালে
তমসার কালো দূরে ঠেলে
তুমি কাছে আসো,
খুব কাছে…
শরীরের গন্ধ ছড়িয়ে
ঘোর লাগা মাদকতায়
ভ্রমরের রঙ্গন সুধনে।
আমি বাধা দেই না….
সে শক্তি আমার নেই।
জরাগ্রস্ত অসহায় হয়ে
অপেক্ষা করি,
সঁপে দেই সবটুকু
তোমার জন্যে।
অদম্য তুমি উন্মত্ত আত্মহারা
বাঁধনহারা চঞ্চলা মৃগী।
তুমি নিংড়ে নাও
পীযুষের শেষ বিন্দু,
নিঃশব্দে নিঃশেষ করো
অকূল সীমাহীন সিন্ধু।
রাত্রির স্তব্ধতা চৌচির করে
ফেটে পড়ো সুখ উল্লাসে।
কুঞ্জ গহ্বরে দুর্বার পবন হয়ে
তছনছ করে দাও আমাকে,
অশান্ত প্রলোভন হয়ে
রুপার প্রলেপ বুলিয়ে
তুমি শান্ত হও এই বাহুডোরে।
আলোড়িত বিহ্বল আমি
চেয়ে থাকি অনিমেষ
দীপ্তিময় নক্ষত্রপুঞ্জে,
অসার শূন্য আমি…
ভেসে যাই তোমার পরাবাস্তব
জোছনা স্নানে।