সামাজিক উন্নয়নের পথিকৃৎ, উন্নয়ন সংগঠক ও সমাজসেবী, বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত শামসুন্নাহার রহমান পরাণের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল বুধবার পালিত হয়েছে ঘাসফুলের উদ্যোগে।
চট্টগ্রামস্থ প্রধান কার্যালয়, ঘাসফুল পরাণ রহমান স্কুল এবং নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর এরিয়া অফিসে পৃথক তিনটি আয়োজনে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ঘাসফুল চেয়ারম্যান ড. মনজুর–উল–আমিন চৌধুরী, সিইও আফতাবুর রহমান জাফরী, উপ–পরিচালক মারুফুল করিম চৌধুরী, সহকারী পরিচালক খালেদা আক্তারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এবং ব্র্যাক ও বুরো বাংলাদেশের প্রতিনিধিবৃন্দ। নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর এরিয়া অফিসের মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক সাইদুর রহমান, এরিয়া ম্যানেজার আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। চট্টগ্রামের ঘাসফুল পরাণ রহমান স্কুলের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
ঢাকাস্থ আজিমপুর কবরস্থানে মরহুমার কবরে ঘাসফুল পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঘাসফুলের উপ–পরিচালক জয়ন্ত কুমার বসু, এরিয়া ম্যানেজার মো. শাহাব উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় চট্টগ্রামের নন্দনকানস্থ বাওয়া চিলড্রেন হোম এবং নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে ঘাসফুল ফস্টার চিলড্রেন কেয়ার সেন্টার ও বালাহৈর হযরত আলী (রা.) দারুল কোরআন শিশুসদনের এতিম শিশুদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, পরাণ রহমান ছিলেন একজন দূরদর্শী মানবিক উন্নয়ন সংগঠক, যিনি আজীবন অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ও অবদান আগামী প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে।











