চট্টগ্রাম -১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, প্রতিপক্ষরা পরাজয় নিশ্চিত জেনে হতাশা থেকে আমাদের ‘ব্যানার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছেন”।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কোনো কোনো প্রার্থী এ কথা বলে ফেলেছেন যে, তাদের নেতাকর্মীরা যদি যথাযথভাবে মাঠে কাজ না করে তাহলে তাদের পরাজয় নিশ্চিত। এখন ওই প্রার্থীর সাথে যারা আছে তারা বুঝতে পারছে যে তাদের কোনো ভবিষ্যত নাই। তাই পরাজয় নিশ্চিত জেনে হতাশা থেকে আমাদের ব্যানার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থী আরও বলেন, ভোট কেন্দ্র দখল করে কেউ আর পার পাবেন না। কারণ দেশের মানুষ এখন আর নিশ্চুপ নেই। দিন দিন তাদের অবস্থা তারা বুঝতে পারছেন। তাই কর্ণফুলী থেকেও শত শত মানুষ ১১ দলীয় জোটে যোগ দিচ্ছেন। সুতরাং তাদের হতাশা আরও বাড়বে এবং এ আসনে দাঁড়িপাল্লা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে ইনশাল্লাহ।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জোবাইর আলম মানিক বলেন, চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালী আসন নিয়ে জোটের মধ্যে যে সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি ছিল, তার সফল নিরসন হয়েছে। গণতন্ত্র রক্ষায় সকল শরিক দল এখন থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাস্টার মনির আফসার চৌধুরী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে বলেন, একটি পক্ষ ‘ফ্যামিলি কার্ডে’র প্রলোভন দেখিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, অতীতে যেমন বিদ্যুতের খুঁটি দিয়েও সংযোগ দেওয়া হয়নি, এই কার্ডের প্রতিশ্রুতিও তেমনি অন্তঃসারশূন্য হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন আমাদের ‘ব্যানার পোস্টার ছিঁড়া ফেলা হচ্ছে আশা করছি এ বিষয়ে প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতের আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবদুল গণি,
কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর,বায়তুলমাল সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হারুন, ব্যবসায়ী ফোরাম সভাপতি ইলিয়াছ মেম্বার, এনসিপি নেতা ইরফান, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, আবদুল আউয়াল রানা প্রমুখ।












