মহিমান্বিত পবিত্র লাইলাতুল বরাত উপলক্ষে আধ্যাত্মিক সাধক, কুতুবুল আকতাব, শাহান শাহে বেলায়ত হজরত শাহ সুফি আমানত খান (রহ.)-এর দরগাহ শরিফে অগণিত আশেক, ভক্ত ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঢল নেমেছে। সকল জাতির আস্থার ঠিকানা হিসেবে পরিচিত এই দরগাহ শরিফে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র রজনীর বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
দরগাহ শরিফের আওলাদেপাক ও সাজ্জাদানসীন শাহজাদা সৈয়দ মো. হাবিব উল্লাহ খান মারুফ শাহ আল-আমানতীর সভাপতিত্বে এক বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহরকুতুব শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের মালিক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মো. জাকির।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্পপতি আলহাজ্ব মো. দেলোয়ার হোসেন, কেল্লা শাহ মাজার শরীফের খাদেম মো. মশিউর রহমান জনি, সাংবাদিক আবুল মনসুর, মিশু রহমান ও হায়দার আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মাহফিলে পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাত্ত্বিক আলোচনা পেশ করেন:
আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা আবুল হাশেম শাহ: মুহাদ্দিস, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা।মাওলানা মুফতি শাহ ফাইজুল কাবির চৌধুরী বদরী (ম:জ:আ): খতিব, শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদ। হাফেজ মাওলানা মো. তবারক আলী: ইমাম, দরগাহ শরিফ জামে মসজিদ।
সন্ধ্যার পর থেকেই মমিন মুসলমানরা কুরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ, জিকির-আসকার ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে মশগুল ছিলেন। দরগাহ শরিফের মোতোয়ালীগন, পুলিশ প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় মাজার প্রাঙ্গণে ইবাদত-বন্দেগির জন্য নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দরগাহ শরিফে আসা কয়েক হাজার ভক্ত ও মুসল্লিদের জন্য সেহেরির ব্যবস্থা করা হয়।
মাজারে আসা এক ভক্ত অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “হজরত শাহ আমানত খান (রহ.)-এর দরগাহ শরিফ যুগ যুগ ধরে সকল মানুষের আস্থার ঠিকানা ও শান্তির নীড়। পবিত্র এই রাতে আমরা দেশ ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে দোয়া করতে এসেছি।”
মাহফিলের শেষ পর্যায়ে সভাপতির বক্তব্যে শাহজাদা সৈয়দ হাবিব উল্লাহ খান মারুফ শাহ সার্বিক সহযোগিতার জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে মোবারকবাদ জানান। পরিশেষে, দেশ ও জাতির উন্নতি এবং সকল কবরবাসীর মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।












