পটিয়ায় ছুরিকাহতের চারদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক যুবকের মৃত্যু হটেছে। উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের মধ্যম চাঁটরায় জমি–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চারদিন আগে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন মাহাবুব আলম (৩৫)। গত রোববার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত মাহাবুব মধ্যম চাটরা গ্রামের হাজী এজাহার মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় টেক্সিচালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহাবুব আলমের সঙ্গে একই এলাকার নুর মোহাম্মদের (৩৮) দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ২৬ মার্চ বেলা ১১টার দিকে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নুর মোহাম্মদ ধারালো ছুরি দিয়ে মাহাবুব আলমকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২৬ মার্চ নিহতের স্ত্রী তাহমিনা জান্নাত বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। একই দিন স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক জিয়া বলেন, জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নিচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











