নেপালকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সুপার এইটে উঠে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দীপেন্দ্র সিং আইরির লড়াকু ইনিংস রক্ষা করতে পারেনি নেপালকে। জেসন হোল্ডারের চার উইকেট আর ব্যাটারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে বড় জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে নেপাল। গতকাল রোববার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৩৩ রান তোলে নেপাল। জবাবে ১৫.২ ওভারেই ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নেপাল। প্রথম ওভারেই কুশল ভুরটেলকে বোল্ড হয়ে ফেরেন। অল্প সময়ের মধ্যে ৫ রানে এলবিডব্লিউ হন অধিনায়ক রোহিত পাওডেলও। সপ্তম ওভারে গিয়ে স্কোরবোর্ডে ২৩ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় দলটি। এই বিপর্যয়ের মধ্যে লড়াই শুরু করেন আইরি। লোকেশ বাম ও গুলশন ঝার সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। তবে রান তোলার গতি ছিল ধীর। মাঝের ওভারগুলোতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলাররা চেপে ধরেন। ম্যাথিউ ফোর্ড টানা চার ওভার করে কিপটে বোলিংয়ে রান আটকে রাখেন। শেষের দিকে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন আইরি ও সোমপাল কামি। ১৮তম ওভারে হোল্ডারকে টানা তিনটি চার মারেন কামি। পরের ওভারে শামার জোসেফকে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন আইরি। শেষ তিন ওভারে ৪৪ রান তুলে লড়াইয়ের আভাস দেয় নেপাল। তবে শেষ ওভারে ফিরে এসে ইয়র্কারে দুটি উইকেট তুলে নেন হোল্ডার। ৫৮ রান করে আউট হন আইরি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৩ রানেই থামে নেপাল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে হোল্ডার ৪ উইকেট নেন ২৭ রান দিয়ে। ফোর্ড ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান খরচ করেন। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ নেয় ক্যারিবীয়রা। প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকান ব্র্যান্ডন কিং। ঝুঁকি না নিয়ে নিয়মিত বাউন্ডারিতে স্কোর এগিয়ে নেন দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ৪৪ রানের জুটি ভাঙলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকে। কিং ২২ রান করে আউট হন। এরপর শিমরন হেটমায়ার লেগ স্পিনার সন্দীপ লামিছানেকে পাত্তা না দিয়ে রান বাড়ান। লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কাসহ একাধিক বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। অধিনায়ক শাই হোপও পরে হাত খোলেন। ১৫তম ওভারে লামিছানেকে টানা দুটি ছক্কা মেরে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন হোপ, হেটমায়ার অপরাজিত ৪৬ রানে।












