প্রেম কেমন আমি জানতাম না কোনোদিন, তুমি এসে হৃদয়ের অচেনা দরজায়
নীরবে কড়া নেড়ে বলেছিলে-‘অনুভব করো, শব্দ নয়, স্পর্শেই প্রেম বাঁচে।’
আমার একাকিত্বের দীর্ঘ প্রহরে নিজেকেই হারিয়ে ফেলেছিলাম,
তুমি এলে, কিছু সরল উক্তি, কিছু অপ্রকাশিত ভালোবাসা নিয়ে,
আর সেই অল্পতেই আমার নিঃসঙ্গতা আলোয় ভরে উঠলো।
তোমার প্রেম ছিলো মৃদু বৃষ্টির মতো– নিভৃত, নীরব, অথচ গভীর,
যেখানে ভিজে গিয়ে আমি নিজেকেই নতুন করে খুঁজে পেলাম।
আমি উপভোগ করতাম তোমার প্রতিটি অনুভব,
আর অজান্তেই ডুবে যেতাম তোমার ভেতর।
মন বলতো– “এই তো সুখ! এই তো বেঁচে থাকা!”
কিন্তু সুখের আড়ালে লুকিয়ে ছিলো এক অদৃশ্য প্রশ্নের ছায়া!
যার নিজের বাগানে অসংখ্য ফুল ফোটে,
হাত বাড়ালেই যে পায় সুবাসের সমুদ্র,
সে কেন অন্যের বাগানে গিয়ে খুঁজে ফেরে অচেনা গন্ধ?
তুমি নীরব হয়ে গেলে– এক ভয়ংকর, ব্যাখ্যাতীত নীরবতা,
যেখানে হাজারো না–বলা কথা চিৎকার করেও শোনা যায় না।
আর আমার অস্থির প্রেম– যে প্রেম একদিন উন্মাদ হয়ে
ছুটেছিলো তোমার দিকে, সেও হঠাৎ থেমে গেল!
স্থির হলো–কিন্তু সে স্থিরতা শান্ত নয়, সে এক গভীর ক্লান্তি, এক নিঃশব্দ
ভাঙনের নাম। আজ বুঝি– প্রেম সবসময় পাওয়া নয়, প্রেম কখনো কখনো
নীরব হয়ে হারিয়ে যাওয়ার মধ্যেও নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প।







