চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেছেন, রোজা আমাদের সংযম শেখায়। রমজান প্রশিক্ষণের মাস। এ মাসের প্রশিক্ষণ বাকি ১১ মাসে কাজে লাগাতে হবে। উপাচার্য নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা, নিয়মানুবর্তিতা, স্বচ্ছতা ও মানুষের কল্যাণে পালন করাও ইবাদত। এমনটা করলে মনে হবে আপনি ২৪ ঘণ্টাই ইবাদতের মধ্যে রয়েছেন। সৎ চিন্তা করে ঘুমালে সেটাও ইবাদত।
তিনি গত ১ মার্চ চবি পুরাতন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের গ্যালারিতে প্রক্টর কার্যালয়ের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, প্রক্টর কার্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রক্টর, সহকারী প্রক্টররা দিন–রাত পরিশ্রম করেন। প্রক্টর অফিস নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ভালো থাকে। তিনি এ আয়োজনের জন্য প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী এবং সহকারী প্রক্টরবৃন্দসহ অফিসের সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এমন আয়োজনের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতা তৈরি হয় বলে জানান তিনি। প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র–ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. নুরুজ্জামান, সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. কোরবান আলী, প্রফেসর মো. বজলুর রহমান, নুরুল হামিদ কানন, মো. খাইরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মীর হোসেন মজুমদার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার (নিরাপত্তা) আবদুর রহিম, তথ্য ও ফটোগ্রাফি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রক্টর কার্যালয়, নিরাপত্তা দপ্তর ও তথ্য ও ফটোগ্রাফি শাখার কর্মকর্তা–কর্মচারীবৃন্দ। প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, প্রক্টর কার্যালয়ের সাথে যাদের সব সময় কাজ করতে হয়, তাদের নিয়েই আমাদের এ আয়োজন। এ আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে মনে করেন তিনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










