চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেছেন, আমরা কারো প্রতিপক্ষ নই, আইনের পক্ষে। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের আচরণেই প্রমাণ হবে, বাংলাদেশ পুলিশ একটি নিরপেক্ষ, দক্ষ ও জনগণবান্ধব বাহিনী।
তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতার আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত, বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি গতকাল চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন দায়িত্বে নিয়োজিত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিমভুক্ত অফিসার্স ও ফোর্সদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। পুলিশ সুপার বলেন, আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজন ছাড়া কোনো অবস্থাতেই বলপ্রয়োগ করা যাবে না। তবে কেউ আইন ভঙ্গের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না। তিনি বলেন, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে, ভয়ভীতি ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন–এটাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। দায়িত্ব পালনকালে শালীন আচরণ, ধৈর্য ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের উসকানি, প্ররোচনা বা চাপের মুখে পড়ে আবেগতাড়িত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে না।
উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন আরো বলেন, আপনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে–এ বিষয়ে আমি আশাবাদী। সততা, শৃঙ্খলা ও ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
ব্রিফিংকালে মোবাইল পার্টি ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল দিয়ে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করবে এবং স্ট্রাইকিং পার্টি কুইক রেসপন্স দল হিসেবে আকস্মিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সহিংসতা, সংঘর্ষ বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা নিয়ন্ত্রণ করবে। নির্বাচনকালীন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং পার্টির দায়িত্ব সংক্ষেপে তুলে ধরেন পুলিশ সুপার। উল্লেখ্য, গতকাল থেকে ১১৯টি মোবাইল ও ৩০টি স্ট্রাইকিং টিমে ৬২৬ জন পুলিশ সদস্য চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানা এলাকায় নিয়োজিত হবেন।












