নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এরশাদ উল্লাহ

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ

নির্বাচনের আগে বৈধ অস্ত্র অবৈধভাবে ব্যবহার বন্ধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম ৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ। তিনি বলেন, সরকারকে আরও কঠোরভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের ওপর হামলায় একজন কর্মকর্তা নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে দেশে অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী তৎপরতা এখনও বড় হুমকি হয়ে আছে। তিনি গতকাল মঙ্গলবার নগরের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

এরশাদ উল্লাহ বলেন, আমরা চাই একটি সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। কিন্তু সে নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে। সমপ্রতি বোয়ালখালীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে দেশিবিদেশি প্রায় ১৭টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে যাদের হাতে অস্ত্র আছে, তাদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা জরুরি। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে বোয়ালখালীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কালুরঘাট সেতুর উন্নয়নকে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন। কোরিয়ার এঙ্মি ব্যাংকের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনো কাজ শুরু হয়নি। একটি নির্বাচিত সরকার না থাকায় অনেক আন্তর্জাতিক সহায়তা স্থগিত রয়েছে। তাই একটি জনগণের সরকার অত্যন্ত প্রয়োজন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পক্ষে রায় দেবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে আসছেন উল্লেখ করে এরশাদ উল্লাহ বলেন, প্রায় ২২ বছর পর পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য নয়, পুরো চট্টগ্রামবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারেক রহমানের আগমনের কারণ ও কর্মসূচি জনগণের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক এম এ আজিজ, কাজী বেলাল উদ্দিন, সফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহম্মেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শিহাব উদ্দিন মুবিন, সদস্য ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাসেম, ইস্কান্দর মির্জা ও নগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক মো. শাহেদসহ নেতৃবৃন্দ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধক্ষমতায় গেলে দেশের উন্নয়নে কী করবে জামায়াত? যা বললেন শফিকুর
পরবর্তী নিবন্ধনির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ হতে হবে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য