ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে ১১৫ প্রার্থী ও তাদের কর্মী–সমর্থকদের প্রচার–প্রচারণা দিন দিন উত্তাপ ছড়াচ্ছে নির্বাচনী মাঠে। প্রতিটি আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রচারণা, শোডাউন পাল্টা শোডাউন চলছে। ভোটারদের কাছে অন্যান্যবারের চেয়ে এবারের জাতীয় নির্বাচনের আমেজ অনেকটা ভিন্ন। প্রার্থীদের প্রচার–প্রচারণায় দিন দিন পাল্টে যাচ্ছে চিত্র। স্থানীয় নির্বাচনের মতো আঞ্চলিকতা ও ব্যক্তি ইমেজে ভাগ হয়ে পড়ছেন ভোটাররা। ফলে এলাকাভিত্তিক পাল্লা ভারী হচ্ছে অনেক প্রার্থীর।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। চট্টগ্রামে ১৬ আসনে এবার বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, এনসিপি, এলডিপিসহ ২৫ রাজনৈতিক দলের ১১৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচারণার জন্য প্রার্থীদের হাতে সময় আছে আর মাত্র ৮ দিন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে প্রচারণা। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।
দিন দিন প্রার্থী এবং তাদের কর্মী–সমর্থকদের প্রচার–প্রচারণা রূপ নিচ্ছে শোডাউনে। উৎসবমুখর প্রচার–প্রচারণায় এলাকাভিত্তিক ছড়িয়ে পড়ছে উত্তাপ। সকাল থেকে দিনব্যাপী চলছে প্রচার–প্রচারণা। দুপুরের প্রচারণা শেষে চলছে দল বেঁেধ খাওয়া–দাওয়া। এই কারণে কর্মী–সমর্থকদের মাঝে উৎসাহ–উদ্দীপনা এবার একটু বেশি। দুপুরের পর আবার মাঠে নেমে পড়ছেন প্রার্থীরা। রাত ৮টায় গণসংযোগ শেষ করে গভীর রাত পর্যন্ত চলে সভা।
চট্টগ্রামের ১৬ আসনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, এলডিপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, সুপ্রিম পার্টি, গণফোরাম, মুসলিম লীগ, গণসংহতি আন্দোলন, নাগরিক ঐক্য, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, নেজামে ইসলাম পার্টি, জনতার দল, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ১১৫ প্রার্থী নিবাচনী মাঠে রয়েছেন।
চট্টগ্রামে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর অবস্থান নির্বাচনী এলাকাগুলোতে ভালো। ব্যক্তি ইমেজে তারা অন্য প্রার্থীদের থেকে ভোটারের কাছে বাড়তি সম্মান পাচ্ছেন। ভোটারের দিক দিয়েও অনেকটা এগিয়ে আছেন তারা। তবে তাদেরকেও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে। অনেক নিরপেক্ষ ভোটার অনেক প্রার্থীর ব্যক্তি ইমেজের কাছে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ছেন। স্থানীয় নির্বাচনের মতো আঞ্চলিকতা ও ব্যক্তি ইমেজে ভাগ হয়ে পড়ছেন তৃণমূলের ভোটাররা।












