ভোটকে উৎসবমুখর করতে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের নির্বাচনী এলাকা গুলোতে পৌঁছে গেছে ব্যালট পেপার ছাড়া অন্যান্য সকল নির্বাচনী সামগ্রী।
এদিকে চট্টগ্রামের নির্বাচনী এলাকা সমূহে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ৬৯ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অপরাধ সমূহ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষে ৩১ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
গতকাল আইন বিচার ও সংসদ বিষয় মন্ত্রণালয়ের–আইন ও বিচার বিভাগের–বিচার শাখা–১ এর উপসচিব (প্রশাসন–১) এ এফ এম গোলজার রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সারাদেশে ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের লক্ষ্যে জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৬৫৭ জন বিচারককে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী অপরাধ সমূহ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে ৩১ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর–এ–আলম গত ৩ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নিয়োজিত আইন–শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সাথে নির্বাচনী এলাকা সমূহে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সারাদেশে ১০৫১ জন এঙিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ প্রদান করেছেন। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইনের ধারা অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা অপর্ণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে মোট ৬৯ জন এঙিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য।












