নিত্যনতুন আবিষ্কার ও গবেষণা ছাড়া মানবজাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়

চবিতে গবেষণা সম্মেলনে উপাচার্য

| রবিবার , ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ

চবি শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তঃবিভাগীয় জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে গতকাল শনিবার চবি সামুদ্রিক বিজ্ঞান ও মৎস্য অনুষদের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্কলার্স কনভার্জেন্স : রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সামিট শীর্ষক আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সম্মেলন। সম্মেলনের সার্বিক আয়োজনে ছিল জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের রেজিস্ট্রেশনভুক্ত এবং চিটাগং ইউনিভার্সিটি সায়েন্টিফিক সোসাইটি। সম্মেলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, গবেষক ও পেশাজীবীদের জন্য একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য মৌখিক ও পোস্টার প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নিজেদের গবেষণা উপস্থাপনের সুযোগ ছিল।

গবেষণা সম্মেলন সাজানো হয়েছিল চারটি মূল থিমকে ঘিরে। থিমগুলো হলোভৌত ও রাসায়নিক বিজ্ঞান, জীবন ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও তথ্য বিজ্ঞান এবং পৃথিবী, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিজ্ঞান। এছাড়াও সম্মেলনে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষক ও গবেষকরা সেশন চেয়ার, কীনোট স্পিকার এবং অতিথি বক্তা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন থিমে উল্লেখযোগ্য বক্তাদের মধ্যে ‘ভৌত ও রাসায়নিক বিজ্ঞান’ থিমের সেশন চেয়ার ছিলেন চবি ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের প্রফেসর ড. একেএম মাঈনুল হক মিয়াজী। কীনোট স্পিকার ছিলেন অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. এমডি কামরুল হোসেন, প্রফেসর ড. কমল দে। অতিথি বক্তা ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মো. এবাদত হোসেন। প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও তথ্য বিজ্ঞান থিমের সেশন চেয়ার ছিলেন চবি ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোরশেদুল হক। কীনোট স্পিকার ছিলেন প্রফেসর ড. জিহুয়া ঝ্যাং, স্কুল অব ম্যাথম্যাটিঙ, শানডং ইউনিভার্সিটি, চায়না এবং প্রফেসর ড. জি এম. সাদিকুল ইসলাম, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, চুয়েট। অতিথি বক্তা ছিলেন চবির সহযোগী অধ্যাপক ড. লিপন চন্দ্র দাশ। জীবন ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান থিমের সেশন চেয়ার ছিলেন চবি প্রফেসর ড. এ এম মাসুদুল আজাদ চৌধুরী। কীনোট স্পিকার ছিলেন চবির সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. মাহবুব হাসান। অতিথি বক্তা ছিলেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিতাশ্রী বড়ুয়া, সাউদার্ন মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর ড. শাফিকা আফরোজ, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিজ্ঞান থিমের সেশন চেয়ার ছিলেন প্রফেসর ড. এম শফিকুল ইসলাম। কীনোট স্পিকার ছিলেন ঢাবি আইটিই ইন ওশানোগ্রাফি ড. টোনিয়া অ্যাস্ট্রিড কাপুয়ানো। অতিথি বক্তা ছিলেন প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ নাথ এবং চবি সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর ড. সোহাগ মিয়াহ।

সূচনা বক্তব্য দেন, অধ্যাপক ড. আল ফোরকান। স্বাগত বক্তব্য দেন, কাকন সাহা এবং কীনোট কোঅর্ডিনেটর অনন্যা দে।

সম্মেলনটিতে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপাচার্য ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়া আখতার। তিনি বলেন, নিত্যনতুন আবিষ্কার ও গবেষণা ছাড়া মানবজাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। তিনি শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হওয়ার পাশাপাশি গবেষণাভিত্তিক কাজের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চবি উপউপাচার্য ড. মুহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান। কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য দেন, প্রফেসর ড. লায়লা খালেদা, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন আবিদুল মওলা খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সহপরিচালক মোহাম্মদ ইকরামুল হক ইকরাম এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি ও সম্মেলনের সার্বিক সমন্বয়ক ছিলেন প্রতীক দত্ত। সমাপনী বক্তব্য দেন, সম্মেলনের প্রধান পরিচালক কে এম সিফাত শাহরীন স্বচ্ছ।

সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন রুফাইদা সিদ্দিকী, মোবাশ্বিরা আনিকা ও তামিম সরকার। গবেষণা সম্মেলনটির কোঅর্গানাইজার ছিল জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধখাগড়াছড়িতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পিঠা উৎসব
পরবর্তী নিবন্ধভালোবাসা, ধৈর্য ও সহানুভূতির মাধ্যমে শিশুদের বড় করা জরুরি