একাকীত্বের অন্ধকার থেকে
সুন্দরী আলো ঝরে পড়ুক, সাওতালী রাতে।
যেখানে জলের গর্জনে স্মৃতির অসুখ কাঁদে।
খাঁজে খাঁজে আগাছায় পাহাড় হয়েছে অসহায়,
অপ্রেম ছেয়ে আছে জীর্ণ কাপড়ে।
অপছায়া গান শুনায় কুলিন সভায়।
প্রবল বর্ষণে মেঘ জলে ভাসতে ভাসতে
ঝাপসা হয় নিভৃত স্বরলিপি।
শস্য শূন্য খামারো, নির্বাক অনুভূতি ঝিমায় রুগ্ন চোখে।
ভেতর বাড়ির আর্তনাদ ওম দেয় হৃদপিণ্ড ঘেঁষে।
শিউলির মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে দীর্ঘ নিশ্বাস–
অহোরাত্র জেগে থাকে কুহকের মতো পলকা মেঘ।
সন্ধ্যা নেমেছে শাল বীথি ছায়ায়।
এবেলায় আলোর উত্তাপে ক্ষয়াটে উৎসব
জ্বলবে অমৃত অক্ষরে।
যে অক্ষর কর্মীর হাতে
পংক্তি সাজাই নিক্তি মাপা সুখে।