জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেই কোনো স্থাবর সম্পদ, নেই মামলা; আছে ৩২ লাখ টাকার সম্পদ আর সাড়ে ৩ লাখ টাকার ব্যাংক ঋণ। ২৭ বছর বয়সী এ নেতা এখন পেশায় পরামর্শক, এর আগে অন্তবর্তীকালীন সরকারে ছয় মাস উপদেষ্টার দায়িত্ব সামলেছেন। বছরে আয় ১৬ লাখ টাকা। খবর বিডিনিউজের।
২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে নাহিদ ১৩ লাখ টাকার বেশি আয়ের বিপরীতে আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ টাকার বেশি। ঢাকা–১১ আসন থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়তে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া হলফনামায় এসব তথ্য তুলে ধরেছেন নাহিদ।
হলফনামায় নাহিদের স্থায়ী ঠিকানা ঢাকা উত্তর সিটির বাড্ডার বড় বেরাইদ। থাকছেন দক্ষিণ সিটির গোড়ান এলাকার দক্ষিণ বনশ্রীতে। স্নাতক সম্পন্ন করা নাহিদ পেশায় ‘পরামর্শক’, আগে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা। নিজের ২৬ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ১২ লাখ টাকার অর্জনকালীন ‘অস্থাবর সম্পদের’ কথা তুলে ধরেছেন এনসিপি প্রধান। স্থাবর সম্পদের হিসাবের স্থলে ‘প্রযোজ্য নয়’ লেখা হয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে, নিজের নগদ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা, স্ত্রীর আছে ২ লাখ টাকা। মব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা। নিজের অর্জনের পৌনে ৮ লাখ টাকা মূল্যের অলঙ্কার এবং স্ত্রীর রয়েছে ১০ লাখ টাকার গয়না। ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ১ লাখ টাকার ও আসবাব রয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার।
নাহিদের ডাচ বাংলা ব্যাংকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে (ঋণের ধরণ–নির্ভরশীল ব্যক্তি/স্ত্রী)। গত অর্থ বছরে আয়ের পরিমাণ ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা, বিপরীতে আর আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা।












