নারী গ্যাং লিডারসহ চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

ফাঁদে ফেলে ছিনতাই

আজাদী প্রতিবেদন | শনিবার , ২৯ এপ্রিল, ২০২৩ at ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ

নগরীতে পথচারীদের ফাঁদে ফেলে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক নারী গ্যাং লিডারসহ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে বন্দর থানাধীন ধুমপাড়া সাগরপাড় মহসীন কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হল মো. ফুল মিয়া (৩৯), মো. হাসান শেখ (২৮) এবং হামিদা আক্তার ওরফে রুনা (৪০)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ধারালো অস্ত্রসহ ছিনতাই করা টাকা ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

বন্দর থানার ওসি সঞ্জয় কুমার সিনহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজাদীকে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি শুক্রবার (গতকাল) সকালে তাদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পাঠানো হয়েছে।

ওসি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে পথচারীদের বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে মোবাইল, টাকা, মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিতো। পরে ছিনিয়ে নেওয়া জিনিসপত্র ফেরতের কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিতো। গ্রেপ্তার রুনার বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় এ ধরনের চারটি মামলা রয়েছে।

ঘটনার বিবরণে ওসি জানান, মো. হাসান নামের এক ব্যক্তি ভ্যানগাড়িতে করে কসমেটিকস বিক্রি করেন। হাসান বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে নগরীর ইপিজেড সংলগ্ন কলসি দিঘীর পাড় এলাকায় একটি দোকানে পাইকারি দামে কসমেটিকস কেনার জন্য যান। কিন্তু দোকানটি বন্ধ থাকায় হাসান সেখানে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় গ্রেপ্তার হওয়া রুনা এসে নিজে কসমেটিকসের ব্যবসা করেন বলে হাসানকে ডেকে বন্দর থানার ধুমপাড়া সাগরপাড় মহসীন কলোনির একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে ফুল মিয়া ও হাসান শেখকে ডেকে নেয় রুনা। ফুল মিয়া এবং হাসান শেখ ওই কক্ষে গিয়ে ভিকটিম হাসানকে ছুরি ও ক্ষুরের ভয় দেখিয়ে মারধর করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আড়াই হাজার টাকা, ব্যবহৃত মোবাইল ও হাতের ব্রেসলেটটি ছিনিয়ে নেয় তারা। এরপর মোবাইল ফেরত দেওয়ার কথা বলে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করে তাকে ওই কক্ষ থেকে বের করে দেয়। এরপর হাসান ঘটনাটি বন্দর থানাকে জানালে পুলিশ রাত পৌনে ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপাহাড়ে হাসি ফোটাতে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পরবর্তী নিবন্ধখলিলুর রহমান বালিকা স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা