ইউসেপ বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম (কালুরঘাট) অঞ্চলের সোস্যাল ইনক্লুশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক আয়োজিত লিঙ্গ সমতা, শিশু অধিকার, বাল্যবিবাহ ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা প্যাসিফিক জিন্সের পরিচালক লুৎমিলা ফরিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভা সঞ্চালনা করেন ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম।
কর্মশালায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, শিল্প–কারখানার প্রতিনিধি এবং ইউসেপ বাংলাদেশের কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। শুরুতে ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম সোশ্যাল ইনক্লুশন অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ডিপার্টমেন্টের চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। এরপর লিঙ্গ সমতা, শিশু অধিকার, বাল্যবিবাহ ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন জেন্ডার ফোকাল জান্নাতুল মাওয়া এবং ফ্যাসিলিটেটর পারিসা জাহান।
সভাপতি বলেন, নীতিমালার চেয়ে বাস্তবায়নই মুখ্য। সকল নীতিতেই নারী–পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হলেও বাস্তব ক্ষেত্রে তার প্রয়োগ লক্ষ্যণীয় নয়। নারীদের যদি প্রয়োজনীয় বিশেষ সুবিধা প্রদান করা না হলে প্রকৃত অর্থে আমরা লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে সক্ষম হব না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (পাঁচলাইশ) মো. আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ইউসেপ বাংলাদেশের মতো সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেফগার্ডিং নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
ঘাসফুলের উপ–পরিচালক সাদিয়া রহমান তাঁর বক্তব্যে সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন, সেফগার্ডিং বিষয়ে সমাজের সকল স্তরে আরও ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তবেই আমরা সামাজিক সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে সক্ষম হবো।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের পরিচালক এম এ হাশেম বলেন, জীবনের মূল উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে হলে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনের সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই আমরা একটি সুন্দর, সুস্থ ও বাসযোগ্য সমাজ গড়ে তুলতে পারি। অতিথিবৃন্দ ইউসেপ বাংলাদেশ কালুরঘাট অঞ্চলের সেফগার্ডিং বিষয়ক নানামুখী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












