কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আগামী নভেম্বরে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার ঢাকায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু বিষয়ক এক সভায় এ তথ্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
তিনি বলেন, আগামী নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি উদ্বোধনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার যাত্রায় বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নবনির্মিত এই বিমানবন্দরের মাধ্যমে দেশি–বিদেশি পর্যটকরা সরাসরি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কক্সবাজার ভ্রমণে আসতে পারবে।
কক্সবাজার ও কুনমিংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স ও চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের জন্য সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হতে পারে তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, এছাড়া এয়ার এশিয়া পেনাংয়ের সঙ্গে কক্সবাজারের সরাসরি ফ্লাইট শুরু করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। খবর বিডিনিউজের।
‘ফ্লাই দুবাই’ এয়ারলাইন্সের কক্সবাজার–ব্যাংকক–দুবাই রুটে ফ্লাইট চালুর আগ্রহকে স্বাগত জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সগুলোকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। সভায় উপস্থিত দেশি–বিদেশি এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজাররা সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রুট চালুর আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়েও তারা কথা বলেন।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে পশ্চিম এশিয়ার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন বিমানমন্ত্রী। রিয়াদে হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, রিয়াদে হামলার কারণে শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের বিমান চলাচলে সাময়িকভাবে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রী ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেন তিনি।












