আল্লাহর মনোনীত একমাত্র দ্বীন–ইসলামকে ধূলির ধরায় প্রতিষ্ঠা করে মানবজাতিকে হেদায়তের জন্যে শুভাগমন করেন রাহমাতুললিল আলামিন (দ.)। তিনি কোন নির্দিষ্ট জাতির জন্য নয় বরং সমগ্র মানবের জন্য প্রেরিত রাসুল (দ.) । যাঁর মাধ্যমে চূড়ান্ত পরিপূর্ণতা পেল ইসলাম এবং সমাপ্তি ঘটল নবুয়তের। আইয়্যামে জাহিলিয়্যাতে পৌত্তলিকতার পাপাচারে লিপ্ত মানবসমপ্রদায়কে তিনি আল্লাহর বান্দেগি শিখিয়েছেন। দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে মহাসাফল্য লাভের জন্যে খোদায়ী বিধান হিসেবে তোহফা এনেছেন আল কুরআন। যিনি ধরায় এসে ঘুচিয়ে দিয়েছেন, ধনী–গরীব,উঁচু–নীচু সকল জাত বর্ণের বিভেদ, প্রতিষ্ঠা করেছেন ন্যায়–সাম্য–সমপ্রীতিময় আদর্শ সমাজ।
নবীজিকে নিজের জীবনের চেয়েও অধিকতর ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষ পৌঁছে যায় ঈমানের পূর্ণতায়। রাসুলুল্লাহর (দ.) এর মুহাব্বত ঈমানের অন্যতম পূর্বশর্ত। মুমিনদের প্রাণের স্পন্দন ছৈয়্যদুল মুরছালিন (দ.)। যুগ যুগ ধরে উম্মতে মুহাম্মদীকে সত্যিকারের নবী প্রেম শিখিয়েছেন হযরত গাউছুল আজম (রাদি.)। গত শুক্রবার আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল উইনার্স ক্লাবে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখাসমূহের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আয়োজিত মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মাননীয় মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল (দ.) অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মহান মোর্শেদে আজম। মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবি পুলিশের সিনিয়র অফিসার সালেম মাহমুদ মোবারক আল সেকলি ও জিসিসি জেনারেল ট্রান্সপোর্ট ডাইরেক্টর হামাদ সালেহ আবদুল্লাহ হামিস আল রামসী। দুবাই কমিউনিটির জনপ্রিয় প্রবীণ ব্যক্তিত্ব্ব মুহাম্মদ হারুন এম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বোগদাদী, মাওলানা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ নুরুল আলম সহ অনেকে। মিলাদ কিয়াম শেষে প্রধান অতিথি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও উপস্থিত সকলের ইহকালীন কল্যাণ, পরকালীন মুক্তি এবং কাগতিয়ার গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












