ট্রাম্প মোবাইলের বহুল আলোচিত স্মার্টফোনটি শেষ পর্যন্ত বাজারে আসার পথে থাকলেও এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। শুরুতে ফোনটি যতটা আধুনিক ও সাশ্রয়ী হবে বলে দাবি করেছিল কোম্পানিটি বাস্তবে তা ডিজাইন ও দামে গ্রাহকদের হতাশ করতে পারে। খবর বিডিনিউজের।
প্রযুক্তি সাইট ভার্জ লিখেছে, শুরুর দিককার নিজেদের কিছু প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কোম্পানি ট্রাম্প মোবাইল। তাদের টি১ স্মার্টফোনটির চূড়ান্ত নকশায় এবং এর দাম ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। প্রথমবারের মতো স্মার্টফোনটি সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছেন ট্রাম্প মোবাইলের তিন প্রধান কর্মকর্তার মধ্যে ডন হেন্ডরিকসন ও এরিক টমাস নামের দুইজন কর্মী। তারা বলছেন, ফোনটির দাম আগের তুলনায় বাড়ছে এবং ‘মেইড ইন ইউএসএ’ বা ফোনটি পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রেও তৈরি হচ্ছে না। স্ক্রিনশট অনুসারে, টি১ ফোনের ডিজাইনেও বদল এনেছে কোম্পানিটি, বিশেষ করে এর ক্যামেরায়, যা আগে আইফোনের মতো ছিল তা বদলে এখন তিনটি ক্যামেরাকে ওপর–নিচে বসানো হয়েছে। তবে এসব ক্যামেরা একদম সোজা লাইনে নেই। দামের বিষয়ে হেন্ডরিকসন বলেছেন, এরইমধ্যে যারা ফোনটি কেনার জন্য ১০০ ডলার জমা দিয়েছেন তারা ফোনটি ৪৯৯ ডলারেই পাবেন। তবে পরবর্তী গ্রাহকদের জন্য এ ফোনের দাম ৯৯৯ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। টমাস বলেছেন, টি১ স্মার্টফোনটি এখন কেবল মায়ামিতে চূড়ান্তভাবে সংযোজিত হবে।
শুরুতে প্রেস রিলিজে ফোনটি গর্বের সঙ্গে আমেরিকায় ডিজাইন ও তৈরি বলা হলেও এখন সেই দাবি থেকে সরে এসেছে কোম্পানিটি। এখন কোম্পানির ওয়েবসাইটে লেখা আছে, প্রতিটি ডিভাইসের পেছনে রয়েছে মার্কিন হাতের ছোঁয়া। ফোনটি কবে বাজারে আসবে সে বিষয়ে এখনও কোনো তারিখ জানায়নি ট্রাম্প মোবাইল। এর দামও চূড়ান্ত করেনি তারা। ওয়েবসাইটটি দাবি করেছে, টি১ স্মার্টফোনটি এ বছরের শেষদিকে বাজারে আসবে।










