চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলাকে বিভক্ত করে প্রস্তাবিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ নামে নতুন প্রশাসনিক অঞ্চল গঠনের সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গত সোমবার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ‘হারুয়ালছড়ি জনস্বার্থ রক্ষা নাগরিক কমিটি’র ব্যানারে এক মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে বক্তারা জানান, তারা কোনোভাবেই মূল ফটিকছড়ি উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চান না। আন্দোলনকারীদের দাবি, বর্তমান ফটিকছড়ি সদর বা বিবিরহাট তাদের জন্য ভৌগোলিকভাবে বেশি সুবিধাজনক।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, হারুয়ালছড়িবাসীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও প্রশাসনিক সংযোগ বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলার সাথে। নতুন উপজেলা গঠন করা হলে প্রশাসনিক জটিলতা কমার বদলে বাড়ার আশঙ্কা করছেন তারা। অনেকের মতে, যদি নতুন উপজেলা সদর দপ্তর ভূজপুরে হয়, তবে তারা বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। অন্যথায় তারা মূল উপজেলার সাথেই থাকতে চান।
সরকারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফটিকছড়ির বিশাল আয়তন ও জনসংখ্যা বিবেচনায় প্রশাসনিক সেবা সহজ করতে বাগানাবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল–এই ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। সুয়াবিল ইউনিয়নকে বাদ দেয়ার খবরের পর হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের একটি বড় অংশ এই বিভক্তির বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিয়েছে।
হারুয়ালছড়ির মানুষ এখন গণশুনানির মাধ্যমে তাদের মতামত গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। মোহাম্মদ মুসার সভাপতিত্বে ও ইলিয়াস সানি মুন্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাসান, সাগর চৌধুরী, বোরহান উদ্দিন, মোহাম্মদ শফিউল বশর, ইয়াকুব আলী সিফাত, যতীন ত্রিপুরা, মাধব চক্রবর্তী, মামুন, ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, তৌফিক চৌধুরী, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কাদেরী, পংকজ দে, এনাম উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।









