নগর মহিলা দলের ৪ নেত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ at ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ

চার মাস পর নগর মহিলা দলের চার নেত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্র। তারা হলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও নগর মহিলা দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফাতেমা বাদশা, নগর মহিলা দলের সহসভাপতি জেসমিনা খানম ও আঁখি সুলতানা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদা আক্তার লিটা। গতকাল মঙ্গলবার মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। এতে বলা হয়, সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আবেদনের প্রেক্ষিতে পূর্বে দেয়া বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হল।

বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আঁখি সুলতানা আজাদীকে বলেন, বহিষ্কার করলেও আমরা মাঠে ছিলাম। দলের আন্দোলন সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। জানা গেছে, গত ১৯ মে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে নূর আহমেদ সড়কে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির জনসমাবেশ হয়। এতে হাতাহাতিতে জড়ান মনোয়ারা বেগম মনি ও ফতেমা বাদশার অনুসারীরা। হাতাহাতিতে দুই গ্রুপের মাঝখানে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ফাতেমা বাদশা। ঘটনার পর আঁখি সুলতানা দাবি করেন, মিছিল নিয়ে সমাবেশে প্রবেশ করার সময় মনোয়ারা বেগম মনি বাধা দেয় এবং হামলা করে। তবে মনোয়ারা বেগম মনি তা অস্বীকার করেন। এ ঘটনার জের ধরে ২১ মে বহিষ্কার করা হয় চার নেত্রীকে। অবশ্য হাতাহাতির ঘটনার আগে থেকেই মহিলা দলে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধ শুরু হয় গত ৩০ মার্চ পুরনো দুই নেতৃত্ব বহাল রেখে অর্থাৎ টানা তৃতীয়বারের মত মনোয়ার বেগম মনিকে সভাপতি ও জেলী চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩৬ সদস্য বিশিষ্ট নগর মহিলা দলের কমিটি ঘোষণার পর। ওইদিন নতুন নেতৃত্ব না আসার প্রতিবাদে জেসমিনা খানম, আঁখি সুলতানা ও দেওয়ান মাহমুদা আক্তার লিটাসহ ১৩ জন পদত্যাগ করেন। একদিন পর সংবাদ সম্মেলন করে কমিটি বাতিলের দাবি করেন তারা। এরপর ৬ এপ্রিল চার নেত্রীকে শোকজ করে কেন্দ্র। শোকজের ‘সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায়’ ২৬ এপ্রিল তাদের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করে কেন্দ্র।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনগরে পাঁচ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরবর্তী নিবন্ধআমির ভাণ্ডারে ওরশ সম্পন্ন