খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা উপজেলার পশ্চিম মুসলিম পাড়া (নজরুলের টিলা) এলাকায় চার সন্তানের জননী ও মৃত আলম ফকিরের স্ত্রী জরিনা বেগমকে (৪৫) নিজ ঘরে ধর্ষণ করার পরে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার ১০ দিন পরে গতকাল শুক্রবার দুপুরে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একই উপজেলার রমিজ কেরানী পাড়া এলাকার মৃত আবদুল সাদেকের ছেলে মো. আবুল কালাম ওরফে রদ্দা কালামকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলী জানান, ঘাতক আবুল কালাম বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। খাগড়াছড়ি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেঁজুতি জান্নাত ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
আদালতে প্রদত্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আবুল কালাম জানান, জরিনা বেগমের ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে বিভিন্নস্থানে কাজ করার সুবাদে বাইরে থাকতেন। জরিনা বেগম বাড়িতে একাই থাকতেন। সেই সুযোগে গত ১৫ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে তিনি জরিনা আক্তারকে একা পেয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন। জরিনা আক্তার বিয়েতে রাজী না হওয়ায় প্রথমে তাকে ধর্ষণ করেন এবং পরে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান। খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল আজিজ জানান, পুলিশ ২২ ডিসেম্বর জরিনার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেন। পরে একই তারিখে ভিকটিমের বড় ছেলে বান্দরবান থেকে মাটিরাঙায় এসে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরূদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যাবহার করে কালামকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যার সাথে জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন।









