দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম শুরু ১০ মার্চ, আসন খালি ৬৬ শতাংশ

চুয়েটে ভর্তি

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি | রবিবার , ১ মার্চ, ২০২৬ at ৬:০০ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম আগামী ১০ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপের ভর্তি শেষে মোট ৯২০টি আসনের মধ্যে এখনো ৬০৫টি আসনই খালি রয়েছে, যা মোট আসনের প্রায় ৬৬ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১০ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে মেধাক্রম অনুযায়ী প্রার্থীদের সনদ যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই দফায় প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে মূল মেধাক্রম ১ হাজার ২৫১ থেকে ২ হাজার ৫০০ পর্যন্ত প্রার্থীদের ডাকা হয়েছে। এছাড়া স্থাপত্য বিভাগে মেধাক্রম ৭৬ থেকে ১২৫ পর্যন্ত এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও রাখাইন কোটার নির্দিষ্ট মেধাক্রমের প্রার্থীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

ভর্তির নিয়মাবলী অনুযায়ী, প্রার্থীদের চুয়েটের নির্ধারিত পোর্টালে লগইন করে আগে পূরণ করা অনলাইন চয়েস ফরম ও ড্যাশবোর্ডের অন্যান্য ফরম ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে সঙ্গে আনতে হবে। যারা আগে চয়েস ফরম পূরণ করেননি, তাদের ভর্তির দিন তা পূরণের সুযোগ দেওয়া হবে। কাগজপত্র যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ১১ মার্চ বিকেল ৩টার মধ্যে সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখায় নির্ধারিত ১৮ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি জমা দিতে হবে। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে একই দিনও ফি পরিশোধ করা যাবে।

কাগজপত্র যা লাগবে :

ভর্তির সময় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মূল সনদ, নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্র, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং হল পরিদর্শকের স্বাক্ষরযুক্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র জমা দিতে হবে। সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মোড়লের দেওয়া মূল সনদসহ প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র সাথে রাখতে হবে। এছাড়া স্বীকৃত ল্যাব থেকে করা রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট এবং চশমা ব্যবহারকারীদের চশমা সঙ্গে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি শেষে প্রাপ্ত বিভাগ ও অবশিষ্ট শূন্য আসনের তালিকা আগামী ১২ মার্চের মধ্যে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন বা পরিচিতি সভা পর্যন্ত এই ভর্তি কার্যক্রম চলমান থাকবে। আসন শূন্য হওয়া সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম ও পছন্দক্রম অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধফেসবুকে হাসনাতের প্রশংসা করায় চবি ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
পরবর্তী নিবন্ধইরানে হামলায় বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া