রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে যাত্রী নিয়ে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদরদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। এর ৬ ঘণ্টা পর গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে টেনে বাসটি পানির ওপরে তোলা হয়। বাসের ভেতর থেকে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ নিয়ে গতকাল রাত দেড়টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত মোট ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
বিডিনিউজ জানায় : সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিন নম্বর ঘাটের পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যায়। বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, ঢাকাগামী বাসটিতে ৪০ এর অধিক যাত্রী ছিল বলে জানতে পেরেছি। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। ঘাটে এসে বাসটি অ্যাপ্রোচ সড়কে ছিল। সেখান থেকে পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। ডুবে যাওয়া বাসটি থেকে পাঁচ থেকে সাতজন সাঁতরে তীরে উঠে আসেন। বাসটিতে কতজন যাত্রী ছিল– এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঘাটের কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, বাসটিতে হয়ত ৪০ জনের মত ছিলেন।
বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে– বাসটি ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় পন্টুনে ছিল। ফেরিটি পন্টুনে যুক্ত ছিল। ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহন ছিল। চলন্ত বাসটি মুহূর্তের মধ্যে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়।












